ঝোড়ো বাতাসে ভেসে যাওয়া শতাধিক জেলেসহ মাছধরার নৌকা উদ্ধার|179744|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১০ নভেম্বর, ২০১৯ ১৯:০৪
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল
ঝোড়ো বাতাসে ভেসে যাওয়া শতাধিক জেলেসহ মাছধরার নৌকা উদ্ধার
নোয়াখালী প্রতিনিধি

ঝোড়ো বাতাসে ভেসে যাওয়া শতাধিক জেলেসহ মাছধরার নৌকা উদ্ধার

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ওপর দিয়ে রবিবার সকাল ৯টায় দুর্বল হয়ে পড়া ঘূর্ণিঝড় বুলবুল অতিক্রম করেছে। এ সময় শতাধিক জেলেসহ মাছধরা নৌকা ভেসে যাওয়ার সময় নৌ-বাহিনীর সদস্যরা তাদের উদ্ধার করেছে। তবে, বুলবুলের আঘাতে বেশ কিছু কাঁচা ঘরবাড়ি উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি গাছপালাও ভেঙে পড়ে। আমন ফসলের ও রবি শস্যের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

নৌ-বাহিনী সূত্র জানায়, শনিবার রাতে ঝড়ের কবলে পড়ে শতাধিক জেলেসহ মাছ ধরার নৌকা ভেসে যাওয়ার সময় নৌ বাহিনীর সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে ভাসান চরে নিয়ে আসেন। উদ্ধার হওয়া জেলেদের খাবার ও গরম কাপড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

রবিবার সকাল ৯টায় দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার ওপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল দুর্বল হয়ে নোয়াখালী সীমানা অতিক্রম করেছে। এ সময় ঝোড়ো বাতাসে নোয়াখালীর উপকূল অঞ্চলসহ দুর্গম চর ও নিঝুম দ্বীপ, ডাল চর, নামার চর এলাকায় অনেক কাঁচা ঘরবাড়ি উড়ে যায় এবং এবং গাছপালা ভেঙে পড়ে। তবে মানুষ ও গবাদিপশুর ক্ষয় ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।

জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস কৃষি বিভাগের বরাত দিয়ে জানান, পাকা আমন ধান পড়ে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং রবি শস্যেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

শনিবার দুপুর ১২টা থেকে জেলায় একটানা মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। জেলার সাইক্লোন সেন্টার গুলিতে আশ্রয় নেওয়া লোকজন তাদের বাড়ি ঘরে ফিরে যাচ্ছেন। হাতিয়ার সাইক্লোন সেন্টারে ওঠা লোকজন অভিযোগ করেছেন যে, রাতে তাদের প্রয়োজনীয় শুকনা খাবার না দেওয়ায় অনেকেই না খেয়ে ছিলেন।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আবদুল হামিদ জানান, কোন উপজেলা থেকে এখনো ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ পাওয়া যায়নি। প্রতিটি উপজেলায় ২০০ প্যাকেট করে শুকনো খাবার বরাদ্দ দেয়া আছে। যার ফলে শুকনো খাবার বণ্টনে অভাব থাকার কথা নয়।