বালিশকাণ্ডে অনেক অনিয়ম পাওয়া গেছে : দুদক সচিব|179825|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১১ নভেম্বর, ২০১৯ ১৯:২৫
বালিশকাণ্ডে অনেক অনিয়ম পাওয়া গেছে : দুদক সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

বালিশকাণ্ডে অনেক অনিয়ম পাওয়া গেছে : দুদক সচিব

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে বালিশকাণ্ডসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় সাত প্রকৌশলীকে সোমবার জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তারা হলেন পাবনা গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী দেবাশীষ চন্দ্র সাহা, রাজশাহী সার্কেলের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আহসানুল হক, রাজশাহী গণপূর্ত অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. নজিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. শফিকুর রহমান, রাজশাহী সার্কেলের উপ-সহকারী প্রকৌশলী খোরশেদা ইয়াছরিবা, পাবনা গণপূর্ত সার্কেলের সহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম ও মো. রওশন আলী।

সোমবার কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধ ও বৃহস্পতিবার নভেম্বর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (বর্তমানে ওএসডি) মাসুদুল আলমসহ ১৪ প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে বালিশকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে ১৭ অক্টোবর দুদক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করে।

দলের অপর দুই সদস্য হলেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আতিকুর রহমান ও উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ।

পরে ৩ নভেম্বর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শওকত আকবরসহ মোট ৩৩ প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে চিঠি দেয় দুদক।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধ ও বৃহস্পতিবার গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (বর্তমানে ওএসডি) মাসুদুল আলমসহ ১৪ প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক সচিব দিলওয়ার বখত সাংবাদিকদের বলেন, ‘অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। আমরা সেগুলো পর্যালোচনা করছি। যারা এ অনিয়ম দুর্নীতির সঙ্গে দায়ী তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে’।

রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মাণাধীন গ্রিনসিটি আবাসন প্রকল্পের ১৬ ও ২০তলা ভবনের আসবাব কেনা ও ভবনে উত্তোলন কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

এ নিয়ে দৈনিক দেশ রূপান্তকে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেটি আমলে নেয় দুদক।

এ ছাড়া ১৯ মে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দুই কমিটির তদন্তেই ৬২ কোটি ২০ লাখ ৮৯ হাজার টাকার অনিয়মের কথা উঠে আসে।

হাইকোর্টের নির্দেশে গত জুলাই মাসে আদালতে জমা দেওয়া ওই তদন্ত প্রতিবেদনে দুর্নীতির জন্য ৩৪ জন প্রকৌশলীকে দায়ী করা হয়।