শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ|180398|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০
বশেমুরবিপ্রবি
শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ
বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি

শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল বুধবার কৃষি বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের বিদেশি ওই ছাত্রী রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। পরে দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেন, ‘রেজিস্ট্রারের কাছে লিখিত দিয়েছি। আশা করছি, ন্যায়বিচার পাব।’

লিখিত অভিযোগে ছাত্রী বলেন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হুমায়ুন কবির কৃষি বিজ্ঞান বিভাগে ক্লাস নিতেন। ক্লাস শেষে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমাকে দেখা করতে বলতেন। ফেইসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে অনুরোধ করলে, তা গ্রহণ করি। এরপর তিনি প্রায়ই সেক্সুয়াল মেসেজ পাঠাতেন। এতে আমি খুব বিব্রতবোধ করতাম।

এরই মধ্যে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে হুমায়ুন আমাকে বিয়ে ও পেটে বাচ্চা দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এসব কথা শিক্ষকদের জানাতে চাইলে তিনি আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট নিতে না দেওয়াসহ নানা হুমকি দিতেন। এরপর থেকে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

ওই ছাত্রী আরও বলেন, কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্ত কমিটির কাছে লিখিত দিয়েছি। আজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে অভিযোগ করলাম। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।

বিদেশি শিক্ষার্থী তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে (ইটিই বিভাগ) সহকারী অধ্যাপক ফাতিমা খাতুন বলেন, ‘হুমায়ুন স্যারের সঙ্গে মেয়েটির যোগাযোগের বিষয় আমি জানতাম। তাকে সতর্ক করলে বলেছিল, হুমায়ুন স্যারের পরিবারের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে।’

অভিযোগের বিষয়ে প্রভাষক হুমায়ুন কবির দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সাবেক ভিসি খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়। সে সময়ে আমি তার বিপক্ষে ও সর্বশেষ ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রকে হাতেনাতে ধরি। এসব ঘটনায় একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এরই অংশ হিসেবে বিদেশি ছাত্রী দিয়ে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ করানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. নূরউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘মেয়েটির লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন সেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’