যুক্তরাজ্য নির্বাচনে মুসলিম ফ্যাক্টর|181481|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০
যুক্তরাজ্য নির্বাচনে মুসলিম ফ্যাক্টর
প্রতিদিন ডেস্ক

যুক্তরাজ্য নির্বাচনে মুসলিম ফ্যাক্টর

যুক্তরাজ্যে আগামী ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগাম সাধারণ নির্বাচন। দেশটির মুসলিমরা ৩০টির বেশি আসনে ভোটের ফলাফল পাল্টে দিতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গত সোমবার দ্য মুসলিম কাউন্সিল অব ব্রিটেন (এমসিবি) একটি তালিকা প্রকাশ করে। যেসব আসনে মুসলিম ভোটাররা ‘উচ্চ’ ও ‘মাঝারি’ প্রভাব বিস্তার করতে পারে সেই সব আসনের নাম ছিল ওই তালিকায়।

তালিকার শীর্ষে আছে ওয়েস্ট লন্ডন। আসনটিতে মোট জনগোষ্ঠীর ৯ শতাংশ মুসলিম, যাদের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ৪৩১। এই আসনে লেবার পার্টির হয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির বিরুদ্ধে লড়ছেন ইম্মা ডেন্ট কোয়াড। তালিকায় ডাডলি নর্থ আসনের কথাও উল্লেখ আছে। ওই আসনে মুসলিম ভোটার ৪ শতাংশ। তালিকার ৩১ আসনের মধ্যে ১৪টিতে লেবার, ১৪টিতে কনজারভেটিভ ও ৩টিতে এসএনপি পার্টির আধিপত্য রয়েছে। আর এই তিন পার্টির কাছেই অন্যতম বিরোধী দল এমসিবি। মুসলিমরা যে পার্টিতে ভোট দেবে, সেই পার্টিই আসনে জয় পাবে। ফিঞ্চলে ও গোল্ডার্স গ্রিনে কনজারভেটিভ প্রার্থী লুসিয়ানা বার্জারের প্রচারণা দল ২০ শতাংশ ইহুদি ভোটারকে লক্ষ করে প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু এমসিবির তথ্য অনুসারে, ওই আসনে মুসলিম ভোটার ৮ শতাংশ।

এমসিবির সাধারণ সম্পাদক হারুন খান দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘সমাজে সক্রিয়তার দিক দিয়ে মুসলিমরা তাদের সব বৈচিত্র্য দিয়ে আসন্ন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। আমরা আশা করি পার্টিগুলো আমাদের কথা শুনবে এবং দেশব্যাপী মুসলিম সম্প্রদায় তাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে পারবে।’ নির্বাচনে মুসলিম ভোটারদের অংশগ্রহণ ও নির্বাচনী বিতর্কে তাদের অংশীদারত্ব নিশ্চিতে ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছে এমসিবি।

লেবার নেতা জেরেমি করবিনের ইলিংসটন নর্থের ফিন্সবুরি পার্ক মসজিদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কোজবার। তার মতে, ‘একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে রাজনীতি থেকে দূরে রাখলে ওই সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষকে এর মূল্য দিতে হয়। মুসলিমদের কণ্ঠস্বর পৌঁছে দেওয়ার এখনই সময়।’

ব্রেক্সিট ইস্যুতে যুক্তরাজ্য এমনিতেই ব্যাপক অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ব্রেক্সিট জটিলতা ক্রমশ বাড়তে শুরু করায় সামাজিক অন্য সমস্যাগুলোও মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক অধিকারের প্রশ্নে যুক্তরাজ্যের ইউনাইটেড চরিত্র হুমকির মুখে পড়তে পারে, এমন আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।