বিএনপির চিঠি অন্তঃসারশূন্য|181533|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০
সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী
বিএনপির চিঠি অন্তঃসারশূন্য
নিজস্ব প্রতিবেদক

 বিএনপির চিঠি অন্তঃসারশূন্য

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে হওয়া চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের বিস্তারিত প্রকাশের দাবি জানিয়ে বিএনপি প্রধানমন্ত্রীকে যে চিঠি দিয়েছে, সেই চিঠিকে অন্তঃসারশূন্য দাবি করে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন ভারতবিরোধী ‘স্টান্ট’বাজি ছাড়া আর কিছুই নয়। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী বরাবর বিএনপির পক্ষ থেকে দেওয়া চিঠির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং চুক্তির (এগ্রিমেন্ট) পার্থক্য বুঝতে যে বিএনপি ব্যর্থ হয়েছে, এই চিঠিতে তা স্পষ্ট হয়েছে।’

চিঠিতে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে একটি শব্দও ছিল না জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রশ্ন জাগেÑ তারা আসলে তার মুক্তি চায় কি না?’ তিনি বলেন, বিএনপি ভারতবিরোধী রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসেনি সেটি বোঝানোর জন্যই তারা মূলত এ চিঠিটি দিয়েছে, অন্য কোনো কিছু নয়।

ড. হাছান বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে বিএনপির ভাষ্য অনুযায়ী যে ‘চুক্তি’গুলো হয়েছিল, সেগুলো সম্পর্কে বিএনপির এ চিঠি অনুযায়ী তাদের ভাষ্য হচ্ছেÑ ‘জনগণ জানুক’। অথচ এই সফরে কিন্তু কোনো নতুন চুক্তি হয়নি। এ সফরে যেগুলো হয়েছে সেগুলো হচ্ছে এমওইউ বা সমঝোতা স্মারক (মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং) ও এসওপি (স্ট্যান্ডার্ন্ড অপারেশন প্রসিডিউর) এবং শুধুমাত্র আমাদেরকে দেওয়া ভারতের লাইন অব ক্রেডিটের আলোকে এক্সিম ব্যাংক ঢাকায় একটি অফিস খুলবে সেই মর্মে একটি চুক্তি।

জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্যই বিএনপি ওই চিঠি পাঠিয়েছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় দুবার ভারত সফর করেছেন। সেখানে সাতটি চুক্তি হয়েছে।’

‘সাতটি চুক্তি করে আসার পর বেগম জিয়া কি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেছিলেন? করেননি। সংবাদ সম্মেলন করে কি জনসম্মুখে প্রকাশ করেছিলেন? করেননি। সংসদে বক্তৃতা করে কি এগুলো বলেছিলেন? সেটাও বলেননি।’

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নিজেরা এগুলো করেননি অথচ তারা যে প্রসঙ্গগুলোর অবতারণা করেছেন তার সবগুলোই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে যে সমঝোতা স্মারক এবং এসওপিগুলো করে এসেছেন তা প্রতিটি দেশের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে এবং দেশকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে।’