যৌন হেনস্তার কলঙ্ক মুছে ফিরতে চান অনু মালিক|182278|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২২ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:২১
যৌন হেনস্তার কলঙ্ক মুছে ফিরতে চান অনু মালিক
নিজস্ব প্রতিবেদক

যৌন হেনস্তার কলঙ্ক মুছে ফিরতে চান অনু মালিক

‘হ্যাশ মি টু’ ঝড়ে বেশ বিপাকেই পড়েছেন বলিউডের সংগীত ব্যক্তিত্ব অনু মালিক। একের পর এক অভিযোগের তীর তার দিকে। এরই মধ্যে অনু মালিক জানালেন, ‘তিন সপ্তাহ সময় নিচ্ছি। নিজের নামের সঙ্গে লেগে থাকা সমস্ত কলঙ্ক মুছেই ফিরব’।

জনপ্রিয় সুরকার এবং ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১১-এর বিচারক অনু মালিকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছিলেন গায়িকা সোনা মহাপাত্র। পাশ্চাত্যের ভারতীয় সংস্করণ #MeToo আন্দোলনে সোনার পাশে এসে দাঁড়ান আরও দুই গায়িকা শ্বেতা পণ্ডিত এবং নেহা ভাসিন। তাদের প্রতিবাদের জোরেই ইন্ডিয়ান আইডিল সিজন ১১ থেকে অনুকে সরিয়ে দেয় সনি চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। তারপরেই এক সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক মন্তব্য সুরকারের। আপাতত তাকে তিন সপ্তাহের বিশ্রামে পাঠানো হচ্ছে। প্রয়োজনে সেই সময় বাড়ানো বা কমানো হবে কিনা, তা এখনো জানা যায়নি। পাশাপাশি অনু এও বলেন, টুইটারে ক্রমাগত তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এভাবে একটানা হতে থাকলে মিথ্যেও সত্যিতে রূপান্তরিত হয়। আমি রক্তাক্ত অকারণে অপমানিত হতে হতে।

অনুকে অপসারণের আগে সোনা নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে খোলা চিঠিতে লেখেন, ‘আমি আপনাকে এবং আপনার কাজের ধারাকে যথেষ্ট সম্মান করি। একা আমি নই, আমার মতো অসংখ্য মহিলা ব্যক্তিগতভাবে চিঠি লিখেছেন আমাকে। জানিয়েছেন, কীভাবে দিনের পর দিন অনুর হাতে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন তারা। সবার হয়ে তাই আমার অনুরোধ, দয়া করে পদক্ষেপ নিন এই অপরাধীর বিরুদ্ধে।’ এরপরেই সিজন ১১ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় অনু মালিককে।

২০১৮ সালে সোনা প্রথমবার যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনেন অনু মালিকের বিরুদ্ধে। তার জেরে গত বছরের সিজন ১০ থেকে সরে যেতে বাধ্য হন অনু। সোনার প্রতিবাদ আস্তে আস্তে পায়ের তলায় জমি পায় যখন গায়িকা নেহা ভাসিন, শ্বেতা পণ্ডিতকে পাশে পান তিনি। চলতি বছরের সিজন ১১-য় চ্যানেল কর্তৃপক্ষ আবার অনুকে নিলে আবার প্রতিবাদ জানাতে থাকেন সোনা। এবার শুধু অনু নয়, চ্যানেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও। দেখতে দেখতে সেই প্রতিবাদ মুখর হয়ে ওঠে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেন এবার সোনাকে সমর্থন জানালে বৃহস্পতি চ্যানেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বহিষ্কৃত করা হয়েছে অনু মালিককে। যদিও অনুও সোনার প্রতিবাদে সোশ্যালে বলেন, মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে তাকে। সুবিচার প্রার্থী তিনিও। এই ধরনের ঘটনা তাকে প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণা দিচ্ছে।

ইনস্টাগ্রামে দীর্ঘ একটি পোস্টে জানান, যা তিনি করেননি সেটাই প্রচার করে মিথ্যেকে সত্যি বানানো হচ্ছে। এই যন্ত্রণা শেষ হবে কবে!

চার দশক ধরে বলিউডে অসংখ্য ছবি হিট ছবির সুপারহিট গান অনু উপহার দিয়েছেন শ্রোতাদের। ২০০০ সালে তিনি জাতীয় পুরস্কার পান রিফিউজি ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক করে।