লিটন-নাঈম শঙ্কামুক্ত|182320|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০
লিটন-নাঈম শঙ্কামুক্ত
ক্রীড়া ডেস্ক

লিটন-নাঈম শঙ্কামুক্ত

এ বছর ১ আগস্ট থেকে আইসিসি কনকাশন আইন চালু করে। এই নিয়মে কোনো ক্রিকেটার ব্যাটিংয়ের সময় আঘাত পেলে তার বদলে অন্য একজন ক্রিকেটার খেলতে পারেন। গতকাল বাংলাদেশ পা রাখল এই নিয়মের গণ্ডিতে। ভারতের বিপক্ষে ব্যাট করার সময় প্রথম ইনিংসে কনকাশনের জন্য বদলি হন লিটন দাস ও নাঈম হাসান। তাদের বদলি হিসেবে খেলেছেন যথাক্রমে মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। একই দিন ক্রিকেট ইতিহাসে ১২ জন ব্যাট করার দ্বিতীয় উদাহরণ হয় বাংলাদেশ।

লিটন ও নাঈম দুজনই পেসার মোহাম্মদ শামির বাউন্সারে আঘাতপ্রাপ্ত হন। দুজনের হেলমেটের কপালের ওপরের অংশে বল লাগে। দুজনকেই প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হয় মাঠে। পরে দুজনকেই হাসপাতালে মাথায় স্ক্যানের জন্য নেওয়া হয়। দেশ রূপান্তরের ক্রীড়া প্রতিবেদক কলকাতা থেকে জানান, লিটন ও নাঈমকে কলকাতার উডল্যান্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘পরীক্ষা করে দেখার পর তাদের দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সিটি স্ক্যান ও অন্যান্য পরীক্ষায় কোনো ইনজুরি পাওয়া যায়নি।’

কনকাশনের নিয়ম অনুযায়ী বদলি ক্রিকেটারকে আঘাত পাওয়া ক্রিকেটারের ক্যাটাগরির হতে হবে। যেমন ব্যাটসম্যান আঘাত পেলে ব্যাটসম্যান আর বোলার আঘাত পেলে বোলার। এদিক থেকে নিজেদের ভুলেই আটকে গেছে বাংলাদেশ। লিটন দাসের বদলি হিসেবে একজন স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান খেলানোর সুযোগ থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। কারণ দলে অতিরিক্ত পরীক্ষিত ব্যাটসম্যানই ছিলেন না। সাইফ হাসান ইনজুরির কারণে ম্যাচে খেলার সুযোগ হারান। তাই কনকাশন বদলি হিসেবে তার নামার সুযোগ ছিল না। এছাড়া নাঈম নিজের ইনিংস ব্যাট করে গেলেও ফিল্ডিং বা বোলিং করার মতো ফিট ছিলেন না। তাই তাইজুলকে নামতে হয় বল হাতে।

ক্রিকেটে এই পর্যন্ত মোট পাঁচটি কনকাশন বদলি হয়েছে। শুরুটা হয় গত অ্যাশেজে। জোফরা আর্চারের বলে আঘাত পাওয়া স্টিভেন স্মিথের বদলে নেমেছিলেন মার্নাস লাবুশেন। বাকি চারটিই ভারত পেসারদের তাণ্ডবে। প্রথমে ড্যারেন ব্রাভো, তার বদলি হিসেবে নামেন জার্মেই ব্লাকউড। ওই ম্যাচে ১২তম ব্যাটসম্যান হিসেবে নামের শ্যানন গ্যাব্রিয়েল। এতে ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো এক ইনিংসে ১২ ব্যাটসম্যান ব্যাট করেন।