শুধু মুলা, পেঁপে, বেগুনের দাম ৫০ টাকার নিচে|183807|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৯ নভেম্বর, ২০১৯ ২২:২৪
শুধু মুলা, পেঁপে, বেগুনের দাম ৫০ টাকার নিচে
নিজস্ব প্রতিবেদক

শুধু মুলা, পেঁপে, বেগুনের দাম ৫০ টাকার নিচে

শীত মৌসুমের শাক-সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম চড়া। ৫০ টাকার নিচে মিলছে কেবল মুলা, পেঁপে, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও বেগুন।

টমেটো, শসা ও গাজর ৬ মাস ধরে ১০০ টাকার বেশি দরে কেজি বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও একই অবস্থা। দু শ টাকার নিচে মিলছে কেবল পাঙাশ ও তেলাপিয়া।

আমন মৌসুম শুরু হলেও চালের দাম এখনো বাড়তি। বেড়েছে সয়াবিনসহ ভোজ্যতেলের দাম।

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে শুক্রবার প্রতি কেজি শিম ৭০-১০০, ফুলকপি, বাঁধাকপি প্রতিটি ৩০-৫০, বেগুন ৪০-৬০, মুলা, পেঁপে ৩০-৪৫, আলু (পুরোনো) ২৮-৩০, আলু (নতুন) ১০০-১২০, বরবটি, করলা ৬০-৮০, পেঁয়াজ পাতা ১২০-১৫০, টমেটো, গাজর ১০০-১২০, পটল ৫০-৬০, শালগম, কাঁচামরিচ ৪০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

বাজারে পুঁইশাক ২০-৩০, লাউশাক ২০-৩০, পালংশাক ১০-১৫, ডাঁটাশাক ছোট ১০, ডাঁটাশাক বড় ২০-৩০, লালশাক ১০, কলমিশাক ১০ টাকা দামে প্রতি আঁটি বিক্রি হয়েছে।

বাজারে কাঁচামরিচের কেজি ৪০-৫৫ টাকা পর্যন্ত।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাঙাশ ১৩০-১৪০ ও তেলাপিয়া ১৪০-১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

এ ছাড়া সব মাছের কেজিই দু  শ টাকার ওপরে। তবে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে কই মাছের কেজি ছিল ১৮০-২০০ টাকা।

বাজারে ছোট সাইজের রুই, মৃগেল ও কাতলের কেজি ২০০-২২০, কই ২০০-২২০, রুই ও কাতল (বড়) ৩০০-৪০০, ইলিশ (বড়) প্রতিটা ৯০০-১০০, ইলিশ (মাঝারি) প্রতিটি ৭০০-৭৫০, ইলিশ ছোট প্রতি কেজি ৪৫০-৫০০ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে।

চালের বাজার এখনো আগের মতো চড়া।

শুক্রবার রাজধানীর খুচরা বাজারে মিনিকেট চাল ৫৪, নাজির ৬৮ ও বিরি-২৮ ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলেন, ‘দেশে চালের কোনো ঘাটতি নেই। এখন মিলাররা যদি বলে চালের সংকট সেটা তাদের বিষয়। আমরা দাম বাড়ার কোনো যৌক্তিক কারণ দেখি না।’ 

তবে কুষ্টিয়ার স্বর্ণা রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী আ. সামাদ বলেন, ‘মানুষের চাহিদা চিকন চালে। চিকন চালের উৎপাদন হবে আগামী বোরো মৌসুমে। বাজারে এ চালের সরবরাহ ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে দাম বেড়েছে। বোরো ওঠার আগে দাম কমবে না।’

ময়দার কেজি গত সপ্তাহ থেকে ৮ টাকা বেড়ে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সয়াবিন তেলের লিটার ১১০ টাকা। তবে কোনো কোনো বাজারে  ১০৫ টাকায়ও পাওয়া যাচ্ছে।

এমন চড়া দামে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন রাজধানীর ভোক্তারা। তারা বলছেন, বাজারে সরকারের পর্যাপ্ত নজরদারির অভাবে প্রতিটি পণ্যের অস্বাভাবিক দাম নিচ্ছেন বিক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা যেমন খুশি তেমন করলেও তাদের রুখে দেওয়ার মতো কেউ নেই।

এ বিষয়ে কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হওয়ায় অন্য সব ব্যবসায়ীদের সাহস বেড়ে গেছে। তারা সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়ি দিয়েছে। কিন্তু এতে কৃষকের কোনো লাভ হচ্ছে না। সব যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে’।