জিয়া-এরশাদ-খালেদা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন: পূর্তমন্ত্রী|185673|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৯:১১
জিয়া-এরশাদ-খালেদা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন: পূর্তমন্ত্রী
পিরোজপুর প্রতিনিধি

জিয়া-এরশাদ-খালেদা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন: পূর্তমন্ত্রী

ছবি: দেশ রূপান্তর

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়ারা স্বাধীনতাবিরোধী এবং বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এ জঞ্জাল সরিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

পিরোজপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে রবিবার দুপুরে গোপালকৃষ্ণ টাউন ক্লাব মাঠে নবনির্মিত স্বাধীনতা মঞ্চের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘বেগম জিয়া ১৫ ফেব্রম্নয়ারি ১৯৯৬-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর খুনি ফারুক রহমানকে সংসদে বিরোধী দলের নেতা বানিয়ে ছিলেন। পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটির সভাপতি গোলাম আযমকে পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশে এসে বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ করে দিয়েছিলেন সে সময়ের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রথম ভাতা প্রদান করেছিলেন উল্লেখ করে শ ম রেজাউল বলেন, ‘সেই ভাতা আজ মাসে ১২ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে ঈদ বোনাস, বিজয় ভাতা, বৈশাখী ভাতা। আজ মুক্তিযোদ্ধারা সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছেন, বিভিন্নভাবে সম্মানিত হচ্ছেন শুধু শেখ হাসিনার আন্তরিকতার কারণে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ পিরোজপুর মুক্ত দিবসে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের শপথ নিতে হবে যে যারা মুক্তিযোদ্ধাদের নির্বিচারে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে, যারা রাজাকার আলবদরদের এ দেশের মন্ত্রী বানিয়েছে, তাদের সঙ্গে কখনো কোনো সম্পর্ক করা যাবে না।’

জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন নারী সাংসদ শেখ এ্যানী রহমান, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, পৌর মেয়র আলহাজ হাবিবুর রহমান মালেক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রশাসক নাহিদ ফারজানা সিদ্দিকী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা এমএ হাকিম হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক জেলা জজ আবদুস সালাম সিকদার, মুক্তিযোদ্ধা গৌতম চৌধুরী এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি রেজাউল করিম শিকদার মন্টু।

১৯৭১ সালের এই দিনে (৮ ডিসেম্বর) মুক্তিযোদ্ধারা পিরোজপুর শহরের দিকে এগিয়ে এলে হানাদার বাহিনী বরিশালের দিকে পালিয়ে যায়। শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে গণপূর্তমন্ত্রীর মাল্যদানের পর শুরু হয় আনন্দ শোভাযাত্রা। এতে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তান এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।