উগ্রবাদ দমনে সবার আগে সন্ত্রাসী অর্থায়ন বন্ধ করতে হবে: স্পিকার|185869|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৫:৩৪
উগ্রবাদ দমনে সবার আগে সন্ত্রাসী অর্থায়ন বন্ধ করতে হবে: স্পিকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

উগ্রবাদ দমনে সবার আগে সন্ত্রাসী অর্থায়ন বন্ধ করতে হবে: স্পিকার

উগ্রবাদী হয়ে কেউ জন্ম নেয় না, পরিস্থিতি তাদের বিপথগামী করে তোলে বলে উল্লেখ করে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, উগ্রবাদ দমনে সবার আগে সন্ত্রাসী অর্থায়ন বন্ধ করতে হবে।

সোমবার উগ্রবাদ বিরোধী জাতীয় সম্মেলন-২০১৯ এর উদ্বোধন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। দুই দিনব্যাপী রাজধানীর কুড়িলে বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে সিটিটিসি, ইউএস-এইড ও জাতিসংঘ যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে ।

ড. শিরিন শারমিন বলেন, প্রথমবারের মতো উগ্রবাদ বিরোধী এই সম্মেলন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই বার্তাটি সকল স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। বিশ্বের কোথাও উগ্রবাদের  গ্রহণযোগ্যতা নেই।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী উগ্রবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। উগ্রবাদ দূর করতে হলে সর্ব প্রথম দারিদ্র্যতাকে দূর করতে হবে। পাশাপাশি টেররিস্ট ফাইনান্সিং বন্ধ করতে হবে। সে জন্য ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, সমন্বয়ের মাধ্যমে উগ্রবাদ বিরোধী কাজ করার প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়নি। এই সম্মেলনের মাধ্যমে তা শুরু হলো। আলোচনার মাধ্যমে উগ্রবাদ দমন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে পুনর্বাসন কার্যক্রম চালিয়ে বিপথগামীদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে।

জাতিসংঘের রেসিডেন্ট কো–অর্ডিনেটর মিয়া সেপ্পো বলেন, উগ্রবাদ শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, পুরো বিশ্বের জন্য হুমকি। উগ্রবাদ নির্মূলে নারীরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের হাত ধরেই এই সংকট সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। আন্তর্জাতিক অংশীজনদের উগ্রবাদ বিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী বলেন, তিন বছর আগে উগ্রবাদ এ দেশে মাথা চারা দিয়েছিল। পরবর্তীতে সকলের সম্মিলিত চেষ্টায় সেই পরিস্থিতির উত্তরণ হয়েছে। তবে উগ্রবাদ বিরোধী এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। আন্তর্জাতিক সহায়তা ছাড়া উগ্রবাদ দমন সম্ভব না বলেও জানান তিনি।

বিশেষ অতিথি ইউএস অ্যাম্বাসেডর আর আর মিলার বলেন, মার্কিন সরকার উগ্রবাদ প্রতিরোধে ২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছে। উগ্রবাদ দমনে ইতিমধ্যেই ৩৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও সহায়তা করতে ইউএস সরকার প্রস্তুত রয়েছে।