বিএনপি এখন নালিশ পার্টি|186230|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০
খুলনায় কাদের
বিএনপি এখন নালিশ পার্টি
নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

বিএনপি এখন নালিশ পার্টি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রেস ব্রিফিং আর নালিশ করা ছাড়া বিএনপির আর কোনো অবলম্বন নেই। বিএনপি এখন নালিশ পার্টিতে পরিণত হয়েছে। বিএনপিকে নিয়ে এখন আর বিচলিত হবেন না। বিএনপির রাজনীতি চোরাবালিতে আটকে গেছে। জনগণ বিএনপিকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। কারণ বিএনপি জঙ্গিবাদের প্রশ্রয়দাতা ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষক।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে খুলনা জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কথায় কথায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেন। অথচ বিএনপির আমলে ‘হাওয়া ভবন’ ছিল ‘খাওয়া ভবন’। তারা পাঁচ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তাদের মুখে দুর্নীতির কথা শোভা পায় না। এ দেশের মানুষ দুর্নীতিবাজ, টেন্ডারবাজ, জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের আর ক্ষমতায় আনবে না।

এ সময় দলের বিতর্কিত নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঘরের মধ্যে ঘর তৈরি করবেন না। মশারির মধ্যে মশারি খাটাবেন না। শুরু হয়ে গেছে শেখ হাসিনার অ্যাকশন। মনে করছেন এখানে (খুলনায়) অ্যাকশন হবে না। তা ভাববেন না। টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, সুবিধাবাদীরা সাবধান। যারা দাগী, সন্ত্রাসী তারাই বিতর্কিত। বিতর্কিতদের দলে টানবেন না। আওয়ামী লীগে দূষিত রক্তের দরকার নেই। তবে ভালো লোকদের জন্য আওয়ামী লীগের দরজা সব সময় খোলা।

সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৭ কিলোমিটার খুলনা-মোংলা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ, ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ভৈরব নদীর ওপর সেতু, ৫৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দপদপিয়া সেতু ও ৫৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে চুনকুঁড়ি নদীর ওপর সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন। এছাড়া আত্রাই ও আঠারোবাকী নদীর ওপর সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

বিকেলে দ্বিতীয় অধিবেশনে ওবায়দুল কাদের খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে তালুকদার আবদুল খালেক ও সাধারণ সম্পাদক পদে এমডিএ বাবুল রানা এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে শেখ হারুনুর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারীর নাম ঘোষণা করেন। এর মধ্যে তালুকদার আবদুল খালেক ও শেখ হারুনুর রশিদ একই পদে পুনর্নির্বাচিত হলেন।