আবরার হত্যা: ২১ জানুয়ারি অভিযোগপত্র আমলে নেয়ার শুনানি |193195|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৫ জানুয়ারি, ২০২০ ১৭:৪১
আবরার হত্যা: ২১ জানুয়ারি অভিযোগপত্র আমলে নেয়ার শুনানি
নিজস্ব প্রতিবেদক

আবরার হত্যা: ২১ জানুয়ারি অভিযোগপত্র আমলে নেয়ার শুনানি

বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আমলের শুনানির জন্য ২১ জানুয়ারি দিন ঠিক করেছেন আদালত। সেদিন এই মামলার গ্রেপ্তার সব আসামিকে আদালতে হাজির করতে বলা হয়েছে। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস এ দিন ঠিক করেন। 

তাপস কুমার পাল জানান, ১৩ জানুয়ারি বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার নথিপত্র বিচারের জন্য ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত। আদালত এই হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আমলের বিষয়ে শুনানির জন্য ২১ জানুয়ারি দিন ঠিক করেছেন। সেদিন এই মামলার গ্রেপ্তার সব আসামিকে আদালতে হাজির করতে বলা হয়েছে। এর আগে আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় পলাতক চার আসামির একজন রোববার ঢাকার সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি নিয়ে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ওই আসামির নাম মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম।

এই মামলায় পলাতক তিন আসামি হলেন বুয়েটের শিক্ষার্থী মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মুজতবা রাফিদ।

বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় গত ১৩ নভেম্বর ২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ক্রিকেট স্টাম্প, মোটা দড়ি দিয়ে নির্যাতন করার একপর্যায়ে আবরার ফাহাদ বমি ও প্রস্রাব করে ফেলেন। এরপর তাকে হলের বাথরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। বদলানো হয় তার জামাকাপড়।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ছাত্রশিবির করার ‘তথ্যের’ ভিত্তিতে আবরারকে নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, পরস্পর যোগসাজশে পরস্পরের সহায়তায় ছাত্রশিবির সন্দেহে আবরারের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে নির্মমভাবে পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মী।

অভিযোগপত্রভুক্ত ২৫ আসামির মধ্যে ২১ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়। 

২১ জনের মধ্যে ১৬ জনের নাম আবরারের বাবার করা হত্যা মামলার এজাহারে আছে। 

তারা হলেন মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মো. মাজেদুল ইসলাম, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা ও এ এস এম নাজমুস সাদাত। বাকি পাঁচজনের নাম তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। তাঁরা হলেন ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত ও এস এম মাহমুদ সেতু।