ঝালকাঠিতে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীসহ ৭ জনের জেল-জরিমানা|193405|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৬ জানুয়ারি, ২০২০ ১৫:০৭
ঝালকাঠিতে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীসহ ৭ জনের জেল-জরিমানা
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠিতে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীসহ ৭ জনের জেল-জরিমানা

ঝালকাঠিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বেহুন্দী জাল দিয়ে মাছ শিকারের দায়ে সাতজনকে অর্থ ও কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে জেলার রাজাপুর উপজেলার বিশখালী নদীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে সাতজনকে আটক করে পুলিশ।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. সোহাগ হাওলাদার অভিযুক্তদের এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

এর মধ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে রাজাপুরের কৈবর্তখালী গ্রামের মো. জলিল সিকদার, রাজাপুরের বড়ইয়া গ্রামের মো. শুকুর খান, স্বরূপকাঠির সোহাগদল গ্রামের মো. মাহাবুব বাহাদুরকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও রাজাপুরের পুখরীজানা গ্রামের মো. কালাম শরীফ, একই এলাকার রাজিব শরীফ ও ঝালকাঠির সদর উপজেলার রূপদিয়া গ্রামের মো. জসিম হাওলাদারকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া অবৈধ বেহুন্দী জাল দিয়ে মাছ শিকারের দায়ে নলছিটির রাজবাড়িয়া গ্রামের মো. শহিদ আকনকে মৎস্য আইনে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

জানা গেছে, বিশখালী নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে উপজেলার বাদুরতলা এলাকায় বিশখালী নদীতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ সময় তিনজনকে আটক করে অর্ধ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এদিকে বৃহস্পতিবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের পালট গ্রামের বিশখালী নদীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে তিনজনকে ও বেহুন্দীজাল দিয়ে মাছ শিকারের দায়ে একজনকে আটক করে পুলিশ। পরে আটকদের জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহাগ হাওলাদার বলেন, আগামী দিনেও আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।