কালভার্ট নির্মাণে পাথরের বদলে ইটের খোয়া|193828|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ১৫:১৮
কালভার্ট নির্মাণে পাথরের বদলে ইটের খোয়া
ঝালকাঠি প্রতিনিধি

কালভার্ট নির্মাণে পাথরের বদলে ইটের খোয়া

ঝালকাঠির রাজাপুরে কালভার্ট নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে ঠিাকাদার কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়। পরে বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহাগ হাওলাদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে উত্তর তারাবুনিয়া ছিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন খালের ওপর ২০ ফুট দৈর্ঘ্য একটি কালভার্ট নির্মাণের কাজ পায় ঝালকাঠির মেসার্স খাদিজা ট্রেডার্স।খালের দুই পাশে বাঁধ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও খাল খোলা রেখেই পানির মধ্যে ঢালাইয়ের কাজ শুরু করে ঠিকাদার।

নিয়ম না মেনে রাতের আঁধারে ঠিকাদার নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ শুরু করে। কাজের নিয়ম অনুযায়ী পাথর দিয়ে ঢালাই করার কথা থাকলেও পাথরের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করছেন।

স্থানীয়রা প্রতিরোধ করলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ বন্ধ করে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

স্থানীয় শাহাদাৎ হোসেন বলেন, কালভার্ট নির্মাণে এভাবে নিম্নমানের ইটের খোয়ার সঙ্গে কিছু সংখ্যক পাথর মিশিয়ে রাতের অাধাঁরে ঢালাইয়ের কাজ শুরু করেছিল ঠিকাদার। আমরা স্থানীয়রা বিষয়টি দেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করলে তিনি এসে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।

মেসার্স খাদিজা ট্রেডার্স এর প্রোপ্রাইটর মো. তহিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাজটি আমার প্রতিষ্ঠানের নামেই আমার ছোট ভাই শিমুল করাচ্ছে। কাজে কিছু ত্রুটি ছিল। এ ব্যাপারে রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আগামী সোমবার তিনি উপস্থিত থেকেই ঢালাইয়ের কাজ তদারকি করবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহাগ হাওলাদার বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সত্যতা পেয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। যে সকল নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী রয়েছে তা সরিয়ে ফেলে নিয়ম মোতাবেক নির্মাণ সামগ্রী এনে কাজ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।