রাখাইনে গণহত্যার প্রমাণ পায়নি মিয়ানমার!|194328|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২১ জানুয়ারি, ২০২০ ০৯:১৩
রাখাইনে গণহত্যার প্রমাণ পায়নি মিয়ানমার!
অনলাইন ডেস্ক

রাখাইনে গণহত্যার প্রমাণ পায়নি মিয়ানমার!

রাখাইনে সেনাবাহিনীর ‘যুদ্ধাপরাধ’ স্বীকার করে নিলেও সেখানে কোনো ধরনের গণহত্যা হয়নি বলে দাবি করেছে মিয়ানমারের একটি ‘স্বাধীন’ তদন্ত কমিটি।

দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট কমিশন অব ইনকোয়ারি (আইসিওই) নামের ওই কমিটি তাদের তদন্ত প্রতিবেদন সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করে সোমবার দেশটির প্রেসিডেন্টের কাছে হস্তান্তর করে। জাতিসংঘের শীর্ষ আদালত যখন দেশটির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা শুরু করেছে, ঠিক তখন এই প্রতিবেদনটি আসল।

আইসিওই’র ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।

ফিলিপাইনের সাবেক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোজারিও জি মানালোর নেতৃত্বাধীন কমিটিতে আরও তিন সদস্য আছেন: উ মায়া থেইন (মিয়ানমারের সাংবিধানিক ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যান), কেনজো ওশীমা (জাপানি কূটনীতিক) এবং প্রফেসর ড: অং তুন থেট (ইউনিসেফের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা)।

কমিটির সদস্যরা তাদের প্রতিবেদনে লিখেছেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনীর কিছু সদস্য শক্তি ব্যবহার করে যুদ্ধাপরাধ করেছে। একই সঙ্গে নিরপরাধ গ্রামবাসীকে হত্যা করে তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে।’

এভাবে পুরো ঘটনা তুলে ধরলেও কমিটি বলছে, গণহত্যার মতো অপরাধের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের অনেক আগে থেকেই নানাভাবে নির্যাতন করে আসছে। তাদের নির্যাতনের মাত্রা ছাড়িয়ে যায় ২০১৭ সালের আগস্টে। ওই সময় দেশটির সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় ৮ লাখের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়, যাদের মধ্যে অধিকাংশই মুসলমান।

জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন তদন্ত করে দেখেছে, রাখাইনে রীতিমতো গণহত্যা চালিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী।

আইসিওই’র এই প্রতিবেদনকে ‘ধবলধোলাই’ বলে মন্তব্য করেছেন গ্লোবাল জাস্টিস সেন্টারের প্রেসিডেন্ট আকিলা রাধাকৃষ্ণান, ‘রোহিঙ্গা গণহত্যার দায় এড়াতে এই কমিটির প্রতিবেদন মিয়ানমারের আরেকটি দেশজ ধবলধোলাই।’