মিয়ানমারকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক আদালতের রায় মানতে হবে: তথ্যমন্ত্রী|195132|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ১৭:১৭
মিয়ানমারকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক আদালতের রায় মানতে হবে: তথ্যমন্ত্রী
চট্টগ্রাম ব্যুরো

মিয়ানমারকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক আদালতের রায় মানতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

মিয়ানমারকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) রায় মানতে হবে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, তাদের এই রায় প্রত্যাখ্যান করার কোন সুযোগ নাই। এটি একটি ঐতিহাসিক রায়। সেখানে যতজন বিচারক ছিল তারা সর্বসম্মতভাবে এই রায় দিয়েছেন।

শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ ও ক্যানসার রোগীদের অনুদানের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে বলা হয়েছে মিয়ানমারকে ৪ মাস পর আদালতকে এই রায়ের কতটুকু বাস্তবায়ন করেছে তার রিপোর্ট করতে।

তিনি বলেন, যেসব দেশ মিয়ানমারের মানবতাবিরোধী অপরাধ ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নির্মূলের বিষয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিল, আমি মনে করি এই রায়ের পর তারা মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগ করবে।

উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ইউএনও মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান চৌধুরী, পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার প্রমুখ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার যেভাবে সেখানে মানুষ হত্যা করেছে, ছোট শিশুদের হত্যা করেছে, সন্তানের সামনে মাকে ধর্ষণ করেছে, সেটা মানবতা বিরোধী অপরাধ। সেই অপরাধের বিরুদ্ধে ওআইসি’র সকল সদস্য রাষ্ট্রের পক্ষে গাম্বিয়া আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করেছে। সেই মামলায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে একটি ঐতিহাসিক রায় হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা বৃত্তি হিসেবে প্রাথমিকের ১০১ জন শিক্ষার্থীকে ১২শ, ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ৯৪ জন শিক্ষার্থীকে ১৫শ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ৯ জন শিক্ষার্থীকে ৩২শ এবং ডিগ্রি ও অনার্স পর্যায়ের ২ জন শিক্ষার্থীকে ৪ হাজার ৫শ করে টাকা তুলে দেন। এ ছাড়া, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ২শ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা উপকরণ এবং ২টি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানকে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রী এবং ৩০ জনকে বাইসাইকেল দেওয়া হয়। ২১ জন ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোক, প্যারালাইসিস ও জন্মগত হৃদরোগীদের আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।