অবশেষে ২ বাংলাদেশির লাশ ফেরত দিল বিএসএফ|195168|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ২২:০৫
অবশেষে ২ বাংলাদেশির লাশ ফেরত দিল বিএসএফ
পারভেজ রহমান, নওগাঁ প্রতিনিধি

অবশেষে ২ বাংলাদেশির লাশ ফেরত দিল বিএসএফ

নওগাঁর পোরশা উপজেলার দুয়ারপাল সীমানেÍর ওপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত সনজিত কুমার (২৭) ও কামাল হোসেন (২৮) লাশ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ।

নওগাঁ ব্যাটালিয়ন-১৬ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এ কে এম আরিফুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুয়ারপাল সীমান্তের ২৩১ নম্বর মেইন পিলারের কাছে শূন্যরেখায় বাংলাদেশের পক্ষে নওগাঁ ব্যাটেলিয়ন-১৬ বিজিবির অধিনায়ক ও ভারতের পক্ষে ১৫৯ বিএসএফের কমান্ডারের নেতৃত্বে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নিহতদের লাশ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সনজিত কুমার পোরশা উপজেলার বিষ্ণপুর বিজলীপাড়ার শুকরার ছেলে ও কামাল হোসেন  উপজেলার কাটাপুকুর গ্রামের মৃত জিল্লুর রহমানের ছেলে।

নওগাঁ ব্যাটালিয়ন-১৬ বিজিবি ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে নওগাঁ পোরশা উপজেলার দুয়ারপাল সীমান্ত পথে সনজিত কুমারসহ কয়েকজন বাংলাদেশি রাখাল গরু আনতে ভারতে যান। বৃহস্পতিবার ভোরে গরু নিয়ে বাংলাদেশে ফেরার সময় ভারতের বিএসএফ সদস্যরা তাদের উদ্দেশ্য করে গুলি ছুড়ে। বিএসএফের গুলিতে সনজিত কুমার, কামাল হোসেন ও মফিজুল ইসলাম মারা যান। নিহত তিন বাংলাদেশির মধ্যে মফিজুল ইসলামের লাশ দুয়ারপাল সীমান্ত এলাকার ২৩১/১০ এস নম্বর পিলারের কাছে বাংলাদেশ সীমান্তের ২০০ গজ ভেতরে নীলমারা এলাকায় পড়ে ছিল।  আর সনজিত কুমার ও কামাল হোসেনের লাশ ভারতের ৮০০ গজ ভেতর পড়ে ছিল। তাদের লাশ বিএসএফ নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নওগাঁর দুয়ারপাল সীমান্তের ২৩১ নম্বর মেইন পিলারের কাছে শূন্যরেখায় বাংলাদেশের পক্ষে নওগাঁ ব্যাটেলিয়ন-১৬ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এ কে এম আরিফুল ইসলাম ও ভারতের পক্ষে ১৫৯ বিএসএফের কমান্ডার হার্ষা জসির নেতৃত্বে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে মফিজুল ইসলামের লাশ ফেরত আনে বিজিবি। আর সীমান্তের ওপারে ভারতের মধ্যে নিহত সনজিত ও কামালের লাশ সেদিন ফেরত দেয়নি বিএসএফ। হত্যার দুই দিন পর তৃতীয় দিন রাতে তাদের লাশ হস্তান্তর করে বিএসএফ।

পোরশা থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) শাহিনুর ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, নিহতদের লাশ রবিবার নওগাঁ সদর হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে তাদের লাশ হস্তান্তর করা হবে।