ভৈরবে কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১|195512|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ১৪:৫২
ভৈরবে কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১
ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

ভৈরবে কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে রেললাইনের পাশে ১৩ বছর বয়সী কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণে অভিযুক্ত বাবু মিয়া অপু (১৭) নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার ভোরে তাকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে র‌্যাবের একটি টিম।

অভিযুক্ত অপু শহরের জগন্নাথপুর এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে। সে একজন চিহ্নিত ছিনতাইকারী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানায় র‌্যাব।

সোমবার দুপুরে র‌্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানি কমান্ডার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দিন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, চাঞ্চল্যকর এই ধর্ষণের ঘটনার পর তিনি ও সহকারী কমান্ডার, সহকারী পুলিশ সুপার চন্দন দেবনাথের নেতৃত্বে গোপনে তৎপরতা চালায় র‌্যাব।

এতে করে দলবদ্ধ ধর্ষণে জড়িত অন্যতম এই অভিযুক্তকে আটক করতে সক্ষম হন। এই ঘটনার সঙ্গে অপুসহ আরও ৪জন জড়িত থাকার তথ্য জানিয়ে র‌্যাব জানায়, বাকিদেরও খুব শিগগিরই আটক করতে সক্ষম হবেন তারা।

তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন কিশোরীর সঙ্গে বাসে নরসিংদী থেকে সখ্যতা গড়ে তোলে অপুদের চক্রের এক সদস্য। পরে ভৈরব নামার পর তাকে সিলেটগামী বাসে তুলে দেওয়ার কথা বলে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় এবং বাকি ৪ সহযোগীকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানায়।

সেখানে নিয়ে তাদের মধ্যে চারজন কিশোরীটিকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে সে জ্ঞান হারায়। তখন তারা পাশের দোকান থেকে পানি এনে চোখে-মুখে ছিটিয়ে জ্ঞান ফিরিয়ে আবারও ধর্ষণ করে।

পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে তার খালা বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪জনকে অভিযুক্ত করে ভৈরব রেলওয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

১৮ জানুয়ারি শনিবার কিশোরগঞ্জের আদালতে ২২ ধারায় কিশোরীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন বিচারক। বর্তমানে সে জেলার ওয়ানস্টপ সার্ভিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন।

ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদাউস আহমেদ বিশ্বাস জানিয়েছিলেন, ওইদিন দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তাঁতারকান্দি রেল লাইন এলাকা থেকে শিশুটিকে থানায় নিয়ে আসেন এক ব্যক্তি। ঘটনা জানার পর শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় পুলিশ। পরের দিন জেলা সদর হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা হয় ধর্ষণের শিকার কিশোরীটির।

 তার খালা জানিয়েছিলেন, ১৫ জানুয়ারি বুধবার সন্ধ্যায় তার ভাগ্নি রাগ করে বাসা থেকে নিখোঁজ হয়। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে রাতে তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। ১৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে ভৈরব থেকে পুলিশ মুঠোফোনে ঘটনা জানালে তিনি থানায় আসেন।