পিএইচডিতে জালিয়াতি বন্ধে ব্যবস্থা কেন নয়: হাইকোর্ট|197063|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৩:৩৮
পিএইচডিতে জালিয়াতি বন্ধে ব্যবস্থা কেন নয়: হাইকোর্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক

পিএইচডিতে জালিয়াতি বন্ধে ব্যবস্থা কেন নয়: হাইকোর্ট

কোন পদ্ধতিতে পিএইচডি ও সমমানের ডিগ্রি দেওয়া হয় তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে পিএইচডিতে জালিয়াতি বন্ধে গবেষণা প্রস্তাব চূড়ান্ত করার আগে তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে তা নিরীক্ষা ও যাচাইয়ের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

এ ধরনের পরীক্ষায় জালিয়াতি ও চৌর্যবৃত্তি বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশে বলা হয়, সকল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউজিসির নিজস্ব বিধিমালা অনুযায়ী এ ধরনের ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে কিনা তা যাচাই-বাছাই করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও ইউজিসির চেয়ারম্যান তিন মাসের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করবে।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লুৎফুল কবিরের বিরুদ্ধে তার পিএইচডি ডিগ্রি থিসিস জালিয়াতির অভিযোগ উঠে।

এর প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে আবেদনটি করেন আইনজীবী মনিরুজ্জামান লিঙ্কন। আদালতে আবেদনের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষকের পিএইচডি ডিগ্রির জালিয়াতির বিষয়টি তদন্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দেবে।