ইসি মাহবুবকে ইঙ্গিত করে হানিফ- অবসরে যাওয়ার পথ খোলা আছে|197278|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৫:১৬
ইসি মাহবুবকে ইঙ্গিত করে হানিফ- অবসরে যাওয়ার পথ খোলা আছে
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

ইসি মাহবুবকে ইঙ্গিত করে হানিফ- অবসরে যাওয়ার পথ খোলা আছে

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মাহবুব তালুকদারকে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, ইসির অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো বাইরে প্রকাশ করাটা কোনোমতেই যুক্তিযুক্ত হতে পারে না।

তিনি বলেন, কেউ যদি মনে করেন এই কাজ করার মতো সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন তার সেই যোগ্যতা নেই, সেই পথও তার জন্য খোলা আছে- ইচ্ছে করলে তিনি অবসরেও যেতে পারেন।

বুধবার সকালে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ চত্বরে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে গণমাধ্যমে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ইসি মাহবুব তালুকদার ঢাকা সিটি নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘এই নির্বাচনে ভোটের প্রতি জনগণের অনীহা দেখে মনে প্রশ্ন জাগে- জাতি কি ক্রমান্বয়ে গণতন্ত্রহীনতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? ভোটকেন্দ্রে বিরোধী পক্ষের দৃশ্যমান অনুপস্থিতি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তাই নির্বাচন প্রক্রিয়ার সংস্কার ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।’

নির্বাচনে কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত যেভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে, তাতে আচরণবিধি রাখা না রাখা সমান। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো যাচাইয়ের কোনো লক্ষণ পরিলক্ষিত হয়নি। আচরণবিধি না মানা এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা গৃহীত না হওয়া ফ্রি স্টাইল নির্বাচনের মূল উপাদান।’

ইসি মাহবুবের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে হানিফ বলেন, যিনি বা যারা অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মিডিয়ার সামনে কথা বলেন, এটা দেশবাসী মনে করেন তার অযোগ্যতা অদক্ষতাই প্রমাণ করে।’

নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে বিএনপির হরতাল ডাকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিএনপির বিক্ষোভ আন্দোলন সম্পর্কে বিএনপিই ভালো জানে, এটা নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই, জনগণও এটা নিয়ে ভাবছে না। বিএনপি জাতীয় নির্বাচনের পর হরতাল ডেকেছিল। জনগণ ভোটের দিক থেকে যেমন বিএনপিকে প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনের দিক থেকেও প্রত্যাখ্যান করেছে।’

তিনি বলেন, এই দলটাই এখন জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত দল। এই দলটার বিভিন্ন অপকর্মের কারণে জনগণ ধীকৃত। এদের কর্মসূচি নিয়ে আওয়ামী লীগের ভাবার কোনো প্রশ্নই উঠে না জনগণও ভাবে না।

 এ সময় সেখানে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. এস এম মুসতানজীদ, মেডিকেল কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থী ছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাসহ সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।