আইসিজে-তে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা লড়তে সম্পদ সংগ্রহ করবে ওআইসি|198496|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২২:১৩
আইসিজে-তে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা লড়তে সম্পদ সংগ্রহ করবে ওআইসি
অনলাইন ডেস্ক

আইসিজে-তে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা লড়তে সম্পদ সংগ্রহ করবে ওআইসি

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আইসিজে-তে করা মামলার জন্য সম্পদ সংগ্রহের লক্ষ্যে একটি অঙ্গীকারমূলক সম্মেলন অনুষ্ঠানে মতৈক্য হয়েছে। নাইজারে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের (সিএফএম) আসন্ন বৈঠককালে এই সম্মেলনটির আয়োজন করা হবে।

মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক সভায় (এসওএম) এই মতৈক্য হয়। আগামী ৩-৪ এপ্রিল নাইজারে ৪৭তম সিএফএম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। খবর বাসসের।

জেদ্দায় ওআইসি সচিবালয়ে ৯-১১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ওআইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন।

২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে) মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর পুনরায় গণহত্যা চালানো রোধে সাময়িক পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে যে রায় দিয়েছে- এসওএম একে সর্বসম্মত ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হিসাবে উল্লেখ করে স্বাগত জানিয়েছে। এ বিষয়ে আইসিজের চূড়ান্ত রায় হওয়া অবধি মামলার ব্যাপারে গাম্বিয়াকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বাংলাদেশের প্রস্তাবেও ওআইসি প্রতিনিধিগণ সম্মত হন।

ঢাকায় আয়োজিত ৪৫তম ওআইসির সিএফএম বৈঠককালে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন বিষয়ক জবাবদিহিতা সম্পর্কিত ওআইসির মন্ত্রী পর্যায়ের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। বিশেষ করে ৫৭-সদস্যের ওআইসির প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সমর্থন আদায় ও সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে গাম্বিয়াকে সভাপতি করে এই কমিটি গঠন করা হয়।

ওআইসির পক্ষে গাম্বিয়া একটি মামলা দায়ের করার পরে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলায় আইসিজে ২০১৯ সালের ১০-১২ ডিসেম্বর প্রথম শুনানি গ্রহণ করে।

এসওএম অনুষ্ঠান চলাকালে, পররাষ্ট্রসচিব মোমেন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন বিষয়ক জবাবদিহিতা সম্পর্কিত অ্যাডহক মন্ত্রী পর্যায়ের কমিটির সদস্যদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব আইসিজে-তে মামলা দায়ের করার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের প্রতি সহানুভূতির জন্য গাম্বিয়ার প্রতিনিধিদের প্রশংসা করেছেন।

তিনি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের স্বদেশে দ্রুত প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের বিষয়টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক সমর্থনসহ সম্পদ সংগ্রহের জন্য কমিটির সকল সদস্যের অব্যাহত সমর্থন কামনা করেছেন।

এসওএম বৈঠকে চূড়ান্ত করা খসড়া প্রস্তাবটি আগামী এপ্রিলে নাইজারে অনুষ্ঠিতব্য সিএফএম বৈঠককালে গৃহীত হবে।