কাঁঠাল ও কচুরিপানা নিয়ে গবেষণা করা উচিত: পরিকল্পনামন্ত্রী|199639|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৯:২২
কাঁঠাল ও কচুরিপানা নিয়ে গবেষণা করা উচিত: পরিকল্পনামন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক

কাঁঠাল ও কচুরিপানা নিয়ে গবেষণা করা উচিত: পরিকল্পনামন্ত্রী

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কেন্দ্রীয় রূপান্তর কৃষিতেই হয়েছে উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, ওখান থেকে অন্যান্য ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়েছে এখন উৎপাদনপরবর্তী খাদ্যের অপচয় কীভাবে কমানো যায়, এ বিষয়ে গবেষণা করা উচিত। এ সময় কাঁঠাল ও কচুরিপানা নিয়ে গবেষণা করারও আহ্বান জানান তিনি।

সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অর্থনীতি ও পরিকল্পনায় বিশেষ অবদান রাখায় ‘রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ শীর্ষক পদক দেওয়া হয় সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম এ রহিমকে। আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুই অধ্যাপককে ক্রেস্ট, সনদ এবং অর্থ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয় রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (আরডিএফ)।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. লুৎফুল হাসান। আরডিএফ এর চেয়ারম্যান ড. লুৎফান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংস্থাটির কো-চেয়ার লুৎফর রহমান, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ প্রমুখ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই ক্ষোভ প্রকাশ করেন, কেন বেশি গবেষণা হচ্ছে না। গবেষণার জন্য সরকার উন্মুখ হয়ে আছে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে মানসম্মত গবেষণা হয়।

এ সময় তিনি উপস্থিত গবেষকদের কাছে জানতে চান, কচুরিপানার কিছু করা যায় কি না? কচুরিপানার পাতা খাওয়া যায় না কেনো। গরু তো খায়। গরু খেতে পারলে মানুষ খেতে পারবে না কেন? মানুষের খাবার উপযোগী করা যায় কিনা এ নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। সেই সঙ্গে কাঁঠালের আকার ছোট এবং গোল করা যায় কিনা সেটি নিয়েও গবেষণা করতে হবে। যাতে কাঁঠালের আকার সুন্দর করা যায়।

এদিকে, বিকেলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২১’ প্রকল্প ঢাকা বিভাগে সফল করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে স্বীকার করে বলেন, আগামী বছরের জনশুমারি হবে নিখুঁত। আমাদের পরিসংখ্যান নিয়ে এর আগে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তবে এবার জনশুমারি ও গৃহগণনা নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকবে না।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণে নিখুঁত পরিকল্পনার কোনো বিকল্প নেই। এবার গুণগত মান ঠিক করেই জনশুমারি ও গৃহগণনা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পরিসংখ্যান বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যাব।

সভায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে বিবিএস মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক মো. জাহিদুল হক সরদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।