সতীর্থদের কাঁধে শচিন সেরা ক্রীড়ামুহূর্ত|199926|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০
সতীর্থদের কাঁধে শচিন সেরা ক্রীড়ামুহূর্ত
ক্রীড়া ডেস্ক

সতীর্থদের কাঁধে শচিন সেরা ক্রীড়ামুহূর্ত

ক্রিকেট দুনিয়ার কাছে শচিন টেন্ডুলকারের বিশ্বকাপ জেতার সেই ছবিটা আগেই অমর হয়ে গেছে। এবার সেই ছবিটাকেই পুরস্কৃত করল লরিয়াস। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জেতার পর সতীর্থদের কাঁধে চড়া শচিনের ছবিটাই ২০ বছরের সেরা ক্রীড়া মুহূর্ত হওয়ার সম্মান পেয়েছে। বার্লিনে সোমবার ২০১৯ সালের লরিয়াস ক্রীড়া পুরস্কার পেয়েছে ছবিটা। ছবিটা আরও বিশেষ হয়েছে কারণ ওটা ছিল শচিনের শেষ বিশ্বকাপ। ১৯৯২  সালে প্রথম বিশ্বকাপে আবির্ভাবের পর ২০১১ সালে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে স্বপ্ন সফল করেছিলেন শচিন।

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত এবং শ্রীলঙ্কা। অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি আর গৌতম গম্ভীরের অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে সেদিন বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ খেলেছিলেন যুবরাজ সিং। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জেতার পর বিরাট কোহলি এবং ইউসুফ পাঠানরা কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন শচিনকে। কারণ দলের বিশ্বকাপ জয়ের মোটিভেশন ছিলেন তিনি। হাতে দেশের পতাকা নিয়ে পাঠান আর কোহলির কাঁধে চড়া সেই ছবিটা বিশ্বের কাছে এতদিন পরিচিতই ছিল। লরিয়াস ক্রীড়া পুরস্কার পেয়ে ২০ বছরের সেরা ছবি হওয়ার পর ছবিটার আকর্ষণ আরও বেড়ে গেল।

বার্লিনে পুরস্কার বিতরণের মঞ্চে শচিনের নাম ঘোষণা করেন টেনিস কিংবদন্তি বরিস বেকার। তার হাতে সেরা ছবির পুরস্কার তুলে দেন আরেক কিংবদন্তি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহ। ‘২০ বছরের সেরা ক্রীড়া মুহূর্ত’ হওয়ার পর শচিন বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি রোমন্থন করে বলেন, ‘ওই অনুভূতি অবিশ্বাস্য। বিশ্বকাপ জেতার অনুভূতি কখনো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এমন ইভেন্ট খুব কম হয়, যখন সারা দেশ আনন্দে উদ্বেল হয়ে ওঠে। আর এটাই প্রমাণ করে খেলাধুলা সত্যিই শক্তিশালী এবং মানুষের জীবনে তা ম্যাজিকের মতো প্রভাব ফেলে।’ তিনি আরও বলেন, ‘১৯৮৩ সালে ভারত যখন প্রথম বিশ্বকাপ জিতে, আমার বয়স তখন ১০। সেই বছরই জিতেছিল (কপিল দেবের নেতৃত্বে)। ওই বয়সে বিশ্বকাপ জেতার তাৎপর্য আমি বুঝতে পারিনি। সবাই আনন্দ করছিল, তাই আমিও সবার সঙ্গে আনন্দে মেতে উঠি। কিন্তু এটা যে দারুণ একটা সাফল্য, তা বুঝতে পারছিলাম। মনে মনে তখনই স্থির করেছিলাম আমিও এমন কোনো মুহূর্তের সাক্ষী হব একদিন।’ বিশ্বকাপ জয় তার কাছে কতটা কাক্সিক্ষত ছিল সে সম্পর্কে শচিনের মূল্যায়ন, ‘বিশ্বকাপ হাতে আমি, এটা আমার জীবনের সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত। ২২ বছর ধরে আমি একটা স্বপ্নের  পেছনে ছুটে গিয়েছি। কখনো আশা হারাইনি। গোটা দেশের হয়ে সেদিন আমি ট্রফি হাতে তুলে নিয়েছিলাম।’