শেখ জামাল ও আরামবাগের জয়|199927|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০
শেখ জামাল ও আরামবাগের জয়

শেখ জামাল ও আরামবাগের জয়

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে এসে জয়ের দেখা পেয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মণি স্টেডিয়ামে গতকাল স্বাগতিক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্রকে ২-১ গোলে হারিয়েছে তিনবারের লিগ চ্যাম্পিয়ন শেখ জামাল। ৪২ মিনিট ডান দিক থেকে জাহিদ হোসেনের ক্রসে ওমর জবির হেড ক্রসবারে লেগে ফিরলে ফিরতি বল ঠিকই ডান পায়ের প্লেসিংয়ে জালে জড়িয়ে দেন এই গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে অবশ্য সমতায় ফিরেছিল মুক্তিযোদ্ধা। সোহেল রানার থ্রু পাস ধরে বক্সে ঢুকেই দূরের পোস্টে পাঠিয়ে দেন ক্যামেরুনের ফরোয়ার্ড পল এমিল। তবে ৭৩ মিনিটে গাম্বিয়ার স্ট্রাইকার সলোমন কিং গোল করে জামালের জয় নিশ্চিত করেন।

আরামবাগে হোঁচট চট্ট. আবাহনীর

শেখ জামাল ধানম-ি ক্লাবকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে শুভসূচনা করেছিল চট্টগ্রাম আবাহনী। অথচ নিজেদের মাঠেই বড় ধাক্কা খেতে হলো দলটিকে। গতকাল চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে তারা ২-১ ব্যবধানে হেরেছে নড়বড়ে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের কাছে। মোহামেডানের কাছে হার দিয়ে শুরু করা আরামবাগের জন্য এই জয় ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গত বছর ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে দল গড়াই কঠিন হয়ে পড়েছিল ঐতিহ্যবাহী আরামবাগের। আগের মৌসুমে দলটিকে কোচিং করানো মারুফুল হক তাই বাধ্য হয়েই ঠিকানা বদলে বনে যান চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ। অথচ সেই পুরনো দলের কাছেই হারের লজ্জায় ডুবতে হলো দেশের সর্বোচ্চ কোচিং লাইসেন্সধারী কোচের। ম্যাচে প্রাধান্য বিস্তার করে খেলেও শেষ পর্যন্ত ডিফেন্সের ভুলে হারতে হয় চট্টগ্রাম আবাহনীকে। ৩৮ মিনিটে মিসরের মোস্তফা মাহমুদের লং বল ধরে বক্সে ঢুকে গোলরক্ষক নেহালের পাশ দিয়ে দূরের পোস্টে বল পাঠিয়ে দেন এলিটা কিংসলে। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড চিনেডু ম্যাথিউর স্কয়ার পাসে সাখাওয়াত হোসেন রনি আলতো টোকায় সমতায় ফেরান চট্টগ্রাম আবাহনীকে। যদিও পরের মিনিটেই চট্টগ্রাম আবাহনী ডিফেন্ডার শওকত রাসেলের মারাত্মক ভুলে ফের গোল খেতে হয় স্বাগতিকদের। মিসরের মোস্তফা মাহমুদের একটি লম্বা বল আয়ত্তে নিয়ে ব্যাকপাস করে গোলরক্ষক মোহাম্মদ নেহালকে দিতে চেয়েছিলেন রাসেল। কিন্তু তার দুর্বল ব্যাকপাস আয়ত্তে নিয়ে বক্সে ঢুকে অনেকটা আগের গোলের মতোই কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন কিংসলে।