এমপি রতনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ|199935|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০
কানাডায় অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগ
এমপি রতনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

এমপি রতনকে দুদকে  জিজ্ঞাসাবাদ

অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মোয়াজ্জেম হোসেন রতনকে গতকাল মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। দুদকের জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুদকের মহাপরিচালক (অনুসন্ধান) সাঈদ মাহবুব খান বলেন, ‘সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের কানাডায় সম্পদ আছে বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। কানাডায় তার কী পরিমাণ সম্পদ আছে সে বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হবে। তার ও তার পরিবারের সদস্যদের পাসপোর্ট ও বিদেশ ভ্রমণের তথ্য চাওয়া হয়েছে। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় নির্মাণাধীন পাওয়ার প্ল্যান্টসহ বিভিন্ন সরকারি কাজে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গণমাধ্যমে তার নামে যেসব অভিযোগ এসেছে সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।’

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এমপি রতন উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার কোনো অবৈধ সম্পদ  নেই। আমি প্রতিপক্ষ রাজনীতিকদের ষড়যন্ত্রের শিকার। দুদক যা যা জানতে চেয়েছে আমি সবকিছুর জবাব দিয়েছি।’

গত ১০ ফেব্রুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এমপি রতনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি তলব করেছিল দুদক। দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত তলবি নোটিসে বলা হয়, ‘আলোচিত ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমসহ বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে অবৈধ প্রক্রিয়ায় পরস্পর যোগসাজশে ঘুষ দেওয়া-নেওয়ার মাধ্যমে বড় বড় ঠিকাদারি কাজ নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্যাসিনো কারবার ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা অবৈধ প্রক্রিয়ায় অর্জনপূর্বক বিদেশে পাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন বলে আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।’

গত বছর ১৮ সেপ্টেম্বর শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর থেকেই এমপি রতনের নাম আলোচনায় আসে। দুদক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে দেশ রূপান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।