ভাষাশহীদদের স্মরণে লাখো মোমবাতি প্রজ্বালন নড়াইলে|200516|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০
ভাষাশহীদদের স্মরণে লাখো মোমবাতি প্রজ্বালন নড়াইলে
নড়াইল প্রতিনিধি

ভাষাশহীদদের স্মরণে লাখো মোমবাতি প্রজ্বালন নড়াইলে

নড়াইলে লাখো মোমবাতি জ্বালিয়ে ভাষাশহীদদের স্মরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শহীদ দিবসের ৬৯তম বার্ষিকীতে ৬৯টি ফানুস ওড়ানো হয়। এবারের আয়োজনটি উৎসর্গ করা হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তার নামে। গতকাল শুক্রবার একুশে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় শহরের কুরিরডোব মাঠে ব্যতিক্রমধর্মী এ স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

একুশের আলো উদযাপন পর্ষদের আয়োজনে এদিন সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় পশ্চিম আকাশে অন্ধকার নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি নড়াইল জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন (পিপিএম বার), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইয়ারুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন খান নিলু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক, মুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান হিলু, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মলয় কুমার কুন্ডু, উদযাপন পর্ষদের সভাপতি প্রফেসর মুনশি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কচি খন্দকার প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরপরই হাজারো স্বেচ্ছাসেবক একযোগে মাঠজুড়ে মোমবাতি প্রজ্বালন শুরু করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে মোমবাতির আলোতে পুরো মাঠ আলোকিত হয়ে ওঠে। এ সময় ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কী ভুলিতে পারি’ গান ছাড়াও বিভিন্ন দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশন করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ অন্য শিল্পীরা। নান্দনিক এ অনুষ্ঠানটি নড়াইল ও আশপাশের এলাকার হাজারো দর্শক উপভোগ করেন। 

আয়োজক কমিটির সদস্য শাহেদ আলী শান্ত জানান, ১৯৯৮ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি নড়াইলে ব্যতিক্রমী এ অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। এ আয়োজন সফল করতে এক মাস আগে থেকে সাংস্কৃতিক কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও শ্রমিকরা কাজ শুরু করেন। তিন শতাধিক পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক মাঠের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। আয়োজক কমিটির সদস্য নাজমুল হাসান লিজা জানান, ৬ একরের কুরিরডোব মাঠে অন্যান্য বারের মতো এবারও কলাগাছ ও কাঠ দিয়ে শহীদ মিনার ও জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বাংলা বর্ণমালা ও বিভিন্ন আলপনা করা হয়। একুশের আলো উদযাপন পর্ষদের সদস্য সচিব নাট্যাভিনেতা কচি খন্দকার বলেন, সমাজ থেকে কুসংস্কার দূর করতে অন্ধকার থেকে সমাজকে আলোকিত করতেই আমাদের এই আয়োজন।