নাঈমের জোড়া আঘাত|200541|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০৯:১৭
নাঈমের জোড়া আঘাত
অনলাইন ডেস্ক

নাঈমের জোড়া আঘাত

প্রিন্স মাসভাউরেকে ফিরিয়ে দলকে কাঙ্ক্ষিত ব্রেক থ্রো এনে দিয়েছিলেন নাঈম হাসান। এর খানিক পরই ফের আঘাত হেনেছেন এই অফ স্পিনার। তুলে নিয়েছেন ব্রেন্ডন টেইলরের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। তাতে ১৩৪ রানে তৃতীয় উইকেট হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে।

ক্রেইগ আরভিনের সঙ্গে এখন ব্যাট করছেন সিকান্দার রাজা। তিনে খেলতে নামা আরভিন তুলে নিয়েছেন ফিফটি।

টেইলরকে সরাসরি বোল্ড করে ফিরিয়েছেন নাঈম। ১১ বলে ১ চারে ১০ রান করেছেন ডানহাতি ব্যাটার।

চা বিরতিতে যাওয়ার আগে ৩ উইকেটে ১৫০ রান করেছে জিম্বাবুয়ে। আরভিন ৬০ ও সিকান্দার রাজা ৭ রানে অপরাজিত আছেন।

নাঈমের ঘূর্ণিতে কাঙ্ক্ষিত ব্রেক থ্রো

অবশেষে ভাঙল ভয়ংকর হয়ে ওঠা প্রিন্স মাসভাউরে ও ক্রেইগ আরভিন জুটি। ফিফটি তুলে নেওয়া মাসভাউরেকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত ব্রেক-থ্রো এনে দিলেন অফ স্পিনার নাঈম হাসান। দলীয় ১১৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারাল দলটি।

নাঈমের বলে দুই-দুবার জীবন পান মাসভাউরে। ৪৯তম ওভারে নাঈম নিজের বলেই ফিরতি ক্যাচ নিয়ে ফিরিয়েছেন এই বাঁ-হাতিকে। ১৫২ বলে ৯ চারে ৬৪ রান করেন মাসভাউরে। দ্বিতীয় উইকেটে আরভিনের সঙ্গে গড়েন ১১১ রানের দারুণ এক জুটি।

ক্রেইগ আরভিনের সঙ্গে নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে যোগ দিয়েছেন ব্রেন্ডন টেইলর।

একশ’ পেরোল জিম্বাবুয়ে

প্রথম সেশনে প্রতিরোধ গড়া প্রিন্স মাসভাউরে ও ক্রেইগ আরভিন দ্বিতীয় সেশনেও এগিয়ে যাচ্ছেন দারুণভাবে। লাঞ্চের পর এক শ ছাড়িয়েছে জিম্বাবুয়ের দলীয় স্কোর। ওপেনার মাসভাউরে তুলে নিয়েছেন ফিফটি।

৪২.৩ ওভারে দলীয় শতক পূরণ করে জিম্বাবুয়ে। ৪৩ ওভার শেষে দলটির স্কোর ১০০/১। মাসভাউরে ৫৯ ও আরভিন ৩২ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।

প্রথম সেশনে ১ উইকেটই প্রাপ্তি

মিরপুর টেস্টে দ্রুতই সাফল্যের দেখা পেয়েছিল বাংলাদেশ। আবু জায়েদ রাহী তুলে নেন কেভিন কাসুজাকে। তবে দলীয় ৭ রানে প্রথম উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ে নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছে। প্রথম সেশনে আর কোনো উইকেট হারায়নি দলটি। ১ উইকেটে ৮০ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে গেছে অতিথিরা।

তিনে খেলতে নামা ক্রেইগ আরভিনকে নিয়ে দারুণ প্রতিরোধ গড়েছেন ওপেনার মাসভাউরে। এরই মধ্যে এই জুটি যোগ করেছে ৭৩ রান। মাসভাউরে ৪৫ ও আরভিন ২৬ রানে অপরাজিত আছেন।

দুই পেসার ও দুই স্পিনার নিয়ে খেলতে নামা বাংলাদেশ চার বিশেষজ্ঞ বোলারকেই ব্যবহার করেছে। ৬ ওভার বল করে ৮ রান খরচায় ১ উইকেট নিয়ে প্রথম সেশনে সফল আবু জায়েদ রাহী।

মাসভাউরে-আরভিনের প্রতিরোধ

দলীয় ৭ রানেই প্রথম উইকেট হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। তবে দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিনকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েছেন ওপেনার প্রিন্স মাসভাউরে। দুজনের জুটি এরই মধ্যে ৫০ পেরিয়েছে।

মিরপুর টেস্টে টস জিতে প্রথম সেশনে ব্যাট করছে জিম্বাবুয়ে। এই প্রতিবেদন লেখার সময় দলটির স্কোর ২৪ ওভার শেষে ৬০/১। মাসভাউরে ৩২ ও আরভিন ১৯ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।

প্রথম সকালেই রাহীর আঘাত

মিরপুর টেস্টে প্রথম সকালেই উইকেটের দেখা পেল বাংলাদেশ। আবু জায়েদ রাহী ফিরিয়ে দিলেন ওপেনার কেভিন কাসুজাকে। দলীয় ৭ রানে প্রথম উইকেট হারাল জিম্বাবুয়ে।

শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরে বোলিংয়ে নেমে বাংলাদেশের দুই পেসার শুরুটা করেছিলেন দারুণ। ইবাদত হোসেন ও আবু জায়েদ রাহী মিলে প্রথম ৪ ওভার করলেন মেইডেন ওভার। পঞ্চম ওভারে গিয়ে জিম্বাবুয়ে রানের দেখা পায়। সেটিও ওয়াইড থেকে।

অষ্টম ওভারের শেষ বলে রাহী শিকার বানান কাসুজাকে। রাহীর ভেতরে ঢোকা বল কাসুজার ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে গালিতে যায়। যেটি তালুবন্দী করতে ভুল করেননি নাঈম হাসান। ২৪ বল খেলে মাত্র ২ রান করেছেন কাসুজা।

প্রথম ৪ ওভার কোনো রানই পেল না জিম্বাবুয়ে

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে দুই দলের ম্যাচটি মাঠে গড়ায় সকাল সাড়ে ৯টায়।

টস হেরে বোলিং করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা হলো দুর্দান্ত। দুই পেসার ইবাদত হোসেন ও আবু জায়েদ রাহী তো প্রথম চার ওভারে কোনো রানই দিলেন না। দুটি করে মেইডেন ওভার দুজনের।

ইবাদতের করা পঞ্চম ওভারে গিয়ে রানের দেখা যায় জিম্বাবুয়ে। সেটিও ওয়াইড থেকে। সে ওভারে ১ রানই খরচ করেন ইবাদত। রাহী পরের ওভারেও নেন মেইডেন। ৬ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের রান ছিল তাই মাত্র ১।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়ে

মিরপুর টেস্টে টস ভাগ্যে পরাজয় মুমিনুল হকের। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন ভাগ্য পরীক্ষায় জয়ীর হাসি হাসলেন। অনুমিত ভাবেই প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অতিথি দল।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে দুই দলের ম্যাচটি মাঠে গড়িয়েছে সকাল সাড়ে ৯টায়।

কোনো ফরম্যাটেই বাংলাদেশ সম্প্রতি ভালো করতে পারছে না। টেস্ট অবস্থাটা সবচেয়ে বেশি নাজুক। সবশেষ ৬ টেস্টের ৫টিতেই টাইগাররা হেরেছে ইনিংস ব্যবধানে।

উল্টো দিকে জিম্বাবুয়ের পারফরম্যান্সও এতটা নড়বড়ে নয়। সবশেষ ৫ টেস্টের একটিতে ড্র ও একটিতে জয় আছে তাদের। ড্র’টাও আবার সবশেষ ম্যাচে। গেল জানুয়ারিতেই হারারেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

আর জয়টা বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০১৮ সালের নভেম্বরে, সিলেটে। যে জয়কে প্রেরণা হিসেবে নিয়ে সফরকারীরা মাঠে নামছে আজ। আর বাংলাদেশ নিজেদের ঘরে তাদের ‘প্রিয় শিকার’ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলতে নামছে চাপ নিয়ে।

সাতজন বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান নিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। একাদশে দুই পেসার ও দুই স্পিনার। পেস আক্রমণে আবু জায়েদ রাহী ও ইবাদত হোসেন। স্পিন আক্রমণে তাইজুল ইসলামের সঙ্গী নাঈম হাসান। একাদশে নেই অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ।

জিম্বাবুয়ের হয়ে টেস্ট অভিষেক হচ্ছে পেসার চার্লটন টিশুমা।

একাদশ:

বাংলাদেশ: তামিম ইকবাল, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), মোহাম্মদ মিঠুন, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মুশফিকুর রহিম, তাইজুল ইসলাম, আবু জায়েদ রাহী, ইবাদত হোসেন ও নাঈম হাসান।

জিম্বাবুয়ে:   প্রিন্স মাসভাউরে, কেভিন কাসুজা, ক্রেইগ আরভিন (অধিনায়ক), ব্রেন্ডন টেইলর, টিমিসেন মারুমা, সিকান্দার রাজা, রেজিস চাকাভা (উইকেটরক্ষক), ডোনাল্ড টিরিপানো, ভিক্টর নিয়াউচি, আইনসলে আনডলোভু ও চার্লটন টিশুমা।