করোনায় দিশেহারা দক্ষিণ কোরিয়াও!|200728|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০৯:০৯
করোনায় দিশেহারা দক্ষিণ কোরিয়াও!
অনলাইন ডেস্ক

করোনায় দিশেহারা দক্ষিণ কোরিয়াও!

নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) চীনের মতো পরিস্থিতির দিকে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটিতে গত কয়েক দিন ধরে দ্বিগুণ হারে বাড়ছে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা।

সাউথ চীনা মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার মূল ভূখণ্ডে ৫৫৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৬ জন।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী চুং সি-কিউন এমন পরিস্থিতিকে ‘কবরের’ সঙ্গে তুলনা করেছেন।

চীনের বাইরে দক্ষিণ কোরিয়ায়ই সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জাপানে, ১৩৫ জন। সেখানে মারা গেছেন একজন। সুস্থ হয়েছেন ২২ জন।

সিঙ্গাপুরে ৮৫ জন আক্রান্ত হলেও কেউ মারা যাননি। এই দেশটিতে কাজ করতে গিয়ে বাংলাদেশের পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছেন। সেখানে আক্রান্তদের মধ্য থেকে ৩৭ জন সুস্থ হয়েছেন।

ইতালিতে ৭৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ২ জন। সুস্থ হয়েছেন একজন।

বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতে আক্রান্ত হওয়া তিনজনই সুস্থ হয়েছেন। নেপাল, শ্রীলঙ্কার অবস্থাও একই। দুই দেশে একজন করে আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তি ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

মালয়েশিয়ায় ২২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ১৫ জন সুস্থ হলেও সাতজন হাসপাতালে আছেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এটি মোড় নিতে পারে নিউমোনিয়া, রেসপিরেটরি ফেইলিউর বা কিডনি অকার্যকারিতার দিকে। পরিণতিতে ঘটতে পারে মৃত্যু।

করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। লক্ষণগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মতো। কারও ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও দেখা দিতে পারে।

এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। সাধারণ ফ্লুর মতোই হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়াতে পারে এ রোগের ভাইরাস।