শান্ত-মুমিনুলে বাংলাদেশের দিন|200785|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৯:২৭
শান্ত-মুমিনুলে বাংলাদেশের দিন
অনলাইন ডেস্ক

শান্ত-মুমিনুলে বাংলাদেশের দিন

ছবি: নাজমুল হক বাপ্পি

আবু জায়েদ রাহীর ক্যারিয়ার সেরা টেস্ট ইনিংস বোলিংয়ের পর নাজমুল হোসেন শান্তর প্রথম টেস্ট ফিফটি। অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর মুমিনুল হকও পেলেন প্রথম ফিফটির দেখা। সব মিলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনটা নিজেদের করে নিল বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে বড় লিড গড়ার ভিত্তিও পেয়ে গেল স্বাগতিকেরা।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ৩ উইকেটে ২৪০ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে প্রতিপক্ষের চেয়ে আর মাত্র ২৫ রানে পিছিয়ে আছে মুমিনুল হকের দল। এর আগে জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংস থেমেছিল ২৬৫ রানে।

মুমিনুল হক অপরাজিত ৭৯ ও মুশফিকুর রহিম অপরাজিত ৩২ রান নিয়ে সোমবার তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন। দুজনই উইকেটে জমে গেছেন। এরই মধ্যে দুজন চতুর্থ উইকেটে যোগ করেছেন ৬৮ রান।

মুমিনুল টেস্টে সাত ইনিংস পর ফিফটির দেখা পেলেন। অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর এটিই তার প্রথম ফিফটি। দেশের মাটিতে বরাবরই ভালো করা এই ব্যাটারের আবার দেশের মাটিতে অধিনায়ক হিসেবে এটিই প্রথম ম্যাচ। ৭৮ বলে ৪ চারে টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম ফিফটিটি পূরণ করেন মুমিনুল।

মুশফিকের আগে নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৭৬ রান যোগ করেন মুমিনুল। শান্ত ৭১ রানে ফিরলে এই জুটির পতন হয়।

নিজের প্রথম টেস্ট ফিফটিটাকে সেঞ্চুরিতে রূপ দেওয়ার আশা জাগিয়েও পারেননি শান্ত। ১০৮ বলে ফিফটি পূরণ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত চার্লটন টিশুমার বলে কিপার রেজিস চাকাভার গ্লাভসবন্দি হওয়ার আগে ১৩৯ বলে ৭ চারে নিজের ইনিংস সাজান শান্ত।

তামিমের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে শান্ত উপহার দেন ৭৮ রানের জুটি। ৪১ রান করা তামিমকে ফিরিয়ে এই জুটি ভেঙেছিলেন তিরিপানো। থিতু হয়েও ফেরা তামিম ৮৯ বলে ৭ চারে নিজের ইনিংস সাজান।

ওপেনার সাইফ হাসান ব্যর্থ ছিলেন। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে দলীয় মাত্র ১৮ রানেই ফিরে যান এই ওপেনার। ১২ বলে ২ চারে ৮ রান করেন সাইফ। তাকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান ভিক্টর নিয়াউচি।

এর আগে ৬ উইকেটে ২২৮ রান নিয়ে দিন শুরু করে জিম্বাবুয়ে আর ৩৭ রান যোগ করতে পারে। আগের দিন ২ উইকেট নেওয়া আবু জায়েদ রাহী আরো দুই উইকেট নেন। তাইজুল দেন অন্য উইকেট। আগের দিন নাঈম হাসান ৪ উইকেট পেয়েছিলেন। এদিন আর তিনি উইকেট পাননি।

রাহী মোট ২৪ ওভার বল করে ৭১ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন। টেস্ট ইনিংসে এটিই তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং।

জিম্বাবুয়ের পক্ষে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে রেজিস চাকাভা ৩০ রান করেন। ৯ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিলেন তিনি। দলটির ইনিংসে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। আগের দিন ১০৭ রান করেছিলেন ক্রেইগ আরভিন। ৬৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন প্রিন্স মাসভাউরে।