২০২৪ সালে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে যাব: অর্থমন্ত্রী|200807|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২১:৩৯
২০২৪ সালে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে যাব: অর্থমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৪ সালে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে যাব: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশ ২০২৪ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে যাদের আবাসনের ব্যবস্থা নেই, ঘরবাড়ি নেই তাদের জন্য আবাসন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সবাইকে ঘরের ব্যবস্থা করবেন। এটা আমেরিকা বা গোটা উইরোপেও সম্ভব নয়। 

রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (ডিজেএফবি) নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান উপলক্ষে ‘উন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব বলেন অর্থমন্ত্রী। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। 

ডিজেএফবির সভাপতি এফ এইচ এম হুমায়ূন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের কার্যনির্বাহী সদস্য সুশান্ত সিনহা। 

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. সাইফুল আলম ও এএফপির বাংলাদেশের ব্যুরো চিফ শফিকুল আলম। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব নূরুল আমিন, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব) ড. শামসুল আলম, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সদস্য (সচিব) আবুল মনসুর মো. ফয়জুল্লাহ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) বেগম ফাতিমা ইয়াসমিন প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ১৯৯৬ সালে যখন সংসদে আমি যখন প্রথম আসি, তখন বাজেটে ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি রাখা হয়েছিল কৃষকের জন্য। সেখানে আরো কিছু সামাজিক নেট রাখা হয়েছিল। এটা তখন আমাদের মতো দেশের জন্য ছিল খুব সাহসী সিদ্ধান্ত। এবার তিনি (প্রধানমন্ত্রী) ঘোষণা দিলেন যাদের আবাসনের ব্যবস্থা নেই, ঘরবারি নেই তাদের জন্য আবাসন তৈরি। তিনি সবাইকে ঘরের ব্যবস্থা করবেন। এটা আমেরিকাতেও সম্বব নয়, গোটা উইরোপেও সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দিয়েছেন এবং তিনি এটা দেখভাল করবেন। এটা পৃথীবির কোনো দেশে নেই। এটা প্রধানমন্ত্রী দেখভাল করবেন। এর চেয়ে বড় শক্তিশালী ভূমিকায় কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী অবতীর্ণ হতে পারেন, এটা কল্পনা করতেও ভয় লাগে। তিনি সেটা ডেলিভার করবেন, সেটা আমাদের সবাইকে বিশ্বাস রাখতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে ওপরের দিকে নিয়ে যেতে চাই। এজন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।
সেন্টার ফর ইকোনমিক্স রিসার্চের তথ্য তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যেই আমরা মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের উপরে যাব। অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী হাত ধরেই ২০৩০ এর স্বপ্ন পূরণ হবে এবং ২০৪১ এর স্বপ্নও বাস্তবায়ন করতে পারব। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত হবে। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, তৃণমূলে ৭০-৮০ ভাগ মানুষ যারা বসবাস করেন, তারা উন্নয়ন চান। শুধু কথার উন্নয়ন নয়, দেখতে চান চোখে। সেতু-কালভার্ট ইমিডিয়েটলি দেখতে চান তারা। ঘরে বিদ্যুৎ তারা এইবেলায় চান। ভাতা বা অবলম্বন, পরিষ্কার পানির স্বপ্ন এগুলোই তারা চান। 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করার আহ্বান জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করুন। আমার পক্ষ থেকে সম্পূর্ণরুপে সাহায্য-সমর্থন পাবেন। আমরা সবাই চাই, তথ্যপ্রবাহ অবাধ হোক। এতে আমাদের লাভ, শুধু আপনাদের লাভ না। আপনারা যে ক’দিন আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন, আমি বলছি, সম্পূর্ণ শতভাগ অবাধ সহযোগিতা দেয়া হবে।