বহুল আলোচিত পাঁচ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব|200849|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০
বহুল আলোচিত পাঁচ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব
আরফাতুন নাবিলা

বহুল আলোচিত পাঁচ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব

কিছু ঘটনা বাস্তবে ঘটলেও লোকে মনে করে ঘটেনি। আবার কিছু ঘটনা অসম্ভব মনে হলেও ধারণা করা হয় ঘটেছে। মানুষের মনে কিছু ষড়যন্ত্র তত্ত্ব গভীরভাবে রেখাপাত করে। এমনই পাঁচটি ঘটনা নিয়ে লিখেছেন আরফাতুন নাবিলা

চাঁদে পড়েনি মানুষের পা

১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই নিল আর্মস্ট্রং ও বাজ আলড্রিন চাঁদের মাটিতে পা রাখেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ছয়জন ব্যক্তি চাঁদে যান। বিশ্ববাসী এই সত্য জানে, কিন্তু ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসীরা বলেন, এমন কোনো ঘটনাই আসলে কখনো ঘটেনি। চাঁদের মাটিতে পড়েনি মানুষের পা। এ বক্তব্যের পেছনে তারা বেশ জোরালো যুক্তিই দেন। তাদের মতে, চাঁদে অবতরণের দৃশ্যটি আসলে চলচ্চিত্র নির্মাতা স্ট্যানলি কুবরিকের সৃজনশীল নির্দেশনায় ধারণ করা হয়। যেসব সিনেমার সেটগুলো পরবর্তী সময়ে আর কোনো কাজে লাগবে না সেখানেই চাঁদের মাটির মতো দৃশ্যপট তৈরি করা হয়। আর এ ব্যক্তিদের সেখানে নিয়েই বলা হয় চাঁদের গল্প।

চাঁদে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে যাদের মনে সন্দেহ আছে তাদের মতে, একটি সফল অভিযানের জন্য মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’র যতটুকু প্রযুক্তিগত উপাদান থাকা উচিত, সেটি তাদের ছিল না। নাসা জানত তারা অভিযানে সফল হবে না। আমেরিকার চেয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন মহাকাশ অভিযানে বেশ এগিয়ে ছিল। তাদের টেক্কা দেওয়ার জন্যই নাসা এমন নাটক সাজিয়েছে বলে ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসীদের মতামত। চাঁদের মাটি থেকে পৃথিবীর বুকে নিল আর্মস্ট্রংয়ের পা পড়ার পর এ তত্ত্বগুলো নিয়ে আরও বেশি প্রচার শুরু হয়। চন্দ্রাভিযান নিয়ে ১৯৭৬ সালে সাংবাদিক বিল কেসিং ‘উই নেভার ওয়েন্ট টু মুন : আমেরিকাস থার্টি বিলিয়ন ডলার সুইন্ডল’ নামে একটি বই লেখেন। নাসার সঙ্গে চুক্তিকারী একটি প্রতিষ্ঠানে কিছুদিন কাজ করেছিলেন তিনি। বইটির মূল বক্তব্য হচ্ছে, মানুষ আসলে কখনো চাঁদে যায়নি।

চাঁদের মাটিতে রেখে আসা মার্কিন পতাকাটি কীভাবে উড়ছিল সে নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। চাঁদে যেহেতু বাতাস নেই, তাই পতাকা ওড়ার প্রশ্নও আসে না। যদিও এ যুক্তির একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার মাইকেল রিক। তিনি বলেন, নিল আর্মস্ট্রং ও বাজ আলড্রিন যখন পতাকাটি খুঁটি দিয়ে মাটিতে লাগাচ্ছিলেন তখনই সেটি কুঁচকে যায়। যেহেতু পৃথিবীর তুলনায় চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ছয়গুণ কম, তাই কুঁচকানো পতাকাটি সেরকমই থেকে গিয়েছিল। ছবিতে সেটি দেখে উড়ছে বলে মনে হচ্ছিল।

চাঁদের বুকে নভোচারীরা যে পায়ের ছাপ রেখে এসেছিলেন তা নিয়েও প্রশ্নের কমতি নেই। ভিন্ন মতাবলম্বীদের মতে, চাঁদে কোনো আর্দ্রতা নেই। তাহলে পায়ের ছাপ চাঁদের মাটিতে কীভাবে এলো? ষড়যন্ত্রকারীদের এমন প্রশ্নের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন আরিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মার্ক রবিনসন। তিনি বলেন, চাঁদের মাটি ‘রেগোলিথ’ নামে এক ধরনের পাথর আর ধুলায় ঢাকা। এগুলো একদম ফাঁপা, যার কারণে পা রাখলেই দেবে যায়। মাটির কণাগুলো যেহেতু একটার সঙ্গে একটা লেগে থাকে আর চাঁদে কোনো বায়ুমন্ডল বা বাতাস নেই, তাই সেই ছাপ থেকে যাবে লাখ লাখ বছর।

ষড়যন্ত্রকারীদের এমন বক্তব্যের কারণে অন্তত ১১ শতাংশ আমেরিকান মনে করে, চাঁদে যাওয়ার গল্পটি নিছকই একটি সাজানো গল্প। কিন্তু চাঁদের কথা যদি নাই বা বলি, তবু আশা করা যায়, মঙ্গলে মানুষের পদার্পণ নিশ্চয়ই খুব বেশি দূরে নয়।

প্রিন্সেস ডায়ানাকে হত্যা করা হয়েছিল?

১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট, প্রিন্সেস  অব ওয়েলস একটি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। ঘটনার সময় তার সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন মিসরের যুবরাজ দোদি আল ফায়েদ। দোদির সঙ্গে ডায়ানার গভীর প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল বলে রাজপরিবারে গুঞ্জন বেশ আগে থেকেই। ডায়ানার স্বামী প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো না থাকাই ছিল এর মূল কারণ। সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় দোদি ও গাড়িচালক হেনরি পলের। অনেকের ধারণা ছিল, হেনরি ছিলেন গোয়েন্দা সংস্থার লোক। ডায়ানার মৃত্যু হয় হাসপাতালে নেওয়ার তিন ঘণ্টা পর। ডায়ানার মৃত্যুর পর হেনরির বিষয়টি সামনে আসে। তিনি মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় সন্দেহ আরও বেশি ঘনীভূত হয়। রাজবধূর গাড়ি কী করে একজন মাতাল মানুষ চালাচ্ছিলেন তা নিয়ে বেশকিছু প্রশ্ন তৈরি হয়। প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে বিবাহিত জীবনের ইতি ঘটলে ডায়ানা মুসলমান কোনো ব্যক্তিকে বিয়ে করবেন এমন সম্ভাবনা মেনে নিতে পারেনি রাজপরিবার। তাই নিজেদের আভিজাত্য বাঁচাতে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় এমন সন্দেহও ছড়িয়েছে। তাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে ডায়ানার আপন বোন লেডি সারাহও যুক্ত ছিলেন বলে ধারণা করেন অনেকে। রাজপরিবারের বধূ হয়েও সুখী না হতে পারা প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু আজও ঘেরা রহস্যের নানা জালে।

বেঁচে আছেন জন বেনেট রামসে!

ছয় বছর বয়সী নীলচে চোখের মিষ্টি হাসির মেয়ে জন বেনেট রামসে। মা প্যাটসি রামসে সাবেক মিস ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া এবং মিস আমেরিকার একজন প্রতিযোগী হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই মেয়েকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে উৎসাহ প্রদান করতেন। লিটল মিস কলোরাডোসহ লিটল মিস চার্লিভয়েক্স, কলোরাডো স্টেট অল-স্টার কিডস কভার গার্ল, ন্যাশনাল টাইনি মিস বিউটি, আমেরিকাস রয়ান মিসসহ বেশ কয়েকটি খেতাব জিতে নেয় সে। ১৯৯৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর হুট করেই নিখোঁজ হয় জন বেনেট। বাবা-মার হাতে আসে বেনেটের অপহরণের বিষয়সহ ১ লাখ ১৮ হাজার ডলার মুক্তিপণের একটি চিঠি। শেষ পর্যন্ত বেনেটকে মৃত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া যায় নিজ বাড়িরই বেজমেন্টে। সে সময় বেনেটের গোপন এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে মিডিয়ায় প্রচুর আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ছোট্ট একটি মেয়েটিকে কে বা কারা এতটা নৃশংসভাবে হত্যা করতে পারে সে নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়। এখনো বেনেটের হত্যাকারীকে পাওয়া যায়নি। এদিকে তার মৃত্যু নিয়ে চারদিকে খবর ছড়ালেও নতুন করে আলোচনা ওঠে, বেনেটের মৃত্যু হয়নি সেদিন। কেটি পেরির নাম নিয়ে সে গেয়ে যাচ্ছে পপ গান! এমন দাবি করেছেন ইউটিউবার ডেভ জনসন। মূল ঘটনা হচ্ছে, ২০১০ সালে নিজের ছেলেবেলার একটি ছবি ইন্টারনেটে পোস্ট করেছিলেন কেটি। অল্পবয়সী কেটির সঙ্গে খুন হওয়া জন বেনেটের চেহারার সাদৃশ থাকার কারণে অনেকেই তা নিয়ে কথা বলেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই এমন গুজব ছড়ায়। তবে এই গুজব সত্যি হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ বেনেটের লাশ ১৯৯৭ সালেই ময়নাতদন্ত করা হয়েছিল। তার বেঁচে থাকার আদৌ কোনো সম্ভাবনা নেই। এমনকি কেটি পেরিকেও এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি কথাটি একদম অস্বীকার করেছেন। বেনেট ও কেটিকে এক মানুষ হিসেবে গুজব ছড়ানো ডেভের কথাকে গুরুত্ব আসলে দেওয়ার কোনো কারণ নেই। এর আগেও তিনি সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা যে আসলে একজন পুরুষ, সে ব্যাপারেও বেশ বড় বড় যুক্তি দেখিয়েছেন। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বিভিন্ন সময় নানা উদ্ভট থিওরি দিয়েছেন তিনি।

জন লেননের খুনি স্টিফেন কিং

বিখ্যাত ব্রিটিশ গানের ব্যান্ড ‘বিটলস’কে ঘিরে অদ্ভুত বেশকিছু কন্সপিরেসি থিওরি প্রচলিত আছে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে বিখ্যাত ব্যান্ডের সদস্য পল ম্যাককার্টনি মারা গেছেন ১৯৬৬ সালেই। এটুকু মানা গেলে তবুও চলত। মাত্রা ছাড়ায় যখন বলা হয়, জন লেননকে হত্যা করেছেন জনপ্রিয় লেখক স্টিফেন কিং। লেননের হত্যাকারী বিষয়ে এ তথ্যটি সবার সামনে তুলে ধরেন জন লাইটফুট নামে একজন ব্যক্তি। তিনি ‘লেনন মার্ডার ট্রুথ’ নামে একটি ওয়েবসাইট চালাতেন। বিষয়টি নিয়ে তার কাছে যে যথার্থ প্রমাণ আছে তাও বলেন তিনি।

লাইটফুট বলেছিলেন, কঠিন এ সত্য সামনে নিয়ে আসা তার জন্য মোটেও সহজ ছিল না। তার ওয়েবসাইট ও তার ওপর আক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তিনি ধারণা করেছিলেন, সরকারের পক্ষ থেকেও তার ওপর আক্রমণ চালানো হয়। স্টিফেন কিংকে নিয়ে এমন কথা বলার কারণে জেলেও যেতে হয়েছিল লাইটফুটকে। সে সময় মিডিয়ায় তাকে নিয়ে বেশ কড়া সমালোচনা হয়। তিনি বলেছিলেন, এ হত্যার পেছনে আরও ছিলেন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান এবং লেননের সাবেক প্রেমিকা ইয়োকো ওনো। লেননকে দেখতে পারতেন না বলেই রোনাল্ড লেননকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মূল ঘটনা ছিল, লেনন হত্যাকারী চ্যাপম্যান এবং স্টিফেন কিং দেখতে প্রায় একইরকম। স্টিফেন কিংয়ের পরিচিতিকে সন্দেহের মুখে ফেলাই ছিল লাইটফুটের লক্ষ্য। তবে খুব বেশিদিন তার এই থিওরি টিকে থাকেনি। স্টিফেন কিং ও মার্ক ডেভিড চ্যাপম্যান দুজনই যে ভিন্ন লোক তা আদালতে প্রমাণিত হয়েছে অনেক আগেই।

মেরিলিন মনরো : আত্মহত্যা নাকি হত্যার শিকার

ছোটবেলায় কঠিন বাস্তবতার শিকার মেরিলিন মনরোর আগের নাম ছিল নরমা জিন বেকার। প্রথম স্বামী জেমস ডগার্থির সঙ্গে বিয়ের পর অ্যারোপ্লেন পার্টস কোম্পানিতে কাজের সুযোগ পান তিনি। রূপের লাবণ্য আর শরীরের মোহনীয় অভিব্যক্তির কারণে খুব অল্প সময়েই সেখানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসেন। কোম্পানির শো-গার্ল হিসেবে মডেলিং করার সুযোগ পান। কাজের মাধ্যমে পরে পরিচয় হয় ডেভিড কনোভার সঙ্গে। তার হাত ধরেই মডেলিংয়ে নতুন পরিচয় গড়ে তোলেন মনরো এবং চার বছরের সংসারের ইতি ঘটে জেমসের সঙ্গে।

অভিনয় জগতে লাস্যময়ী তারকা হিসেবে খুব দ্রুত জায়গা করে নেন মনরো। পর্দায় খোলামেলা পোশাকে সমালোচনার মুখে পড়লেও লাখো তরুণের হৃদয়ে জায়গা করে নেন তিনি। বন্ধু ডি মিয়াগোর সঙ্গে সময়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পরে কোরিয়া যান এবং সেখানে গায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

খ্যাতির নতুন চূড়ায় পৌঁছানোর পর খুব বেশিদিন মিয়াগোর সঙ্গেও সম্পর্ক টেকেনি মনরোর। অভিনয় জীবনে তৃতীয়বারের মতো জীবনে গাঁট বাঁধেন চিত্রনাট্যকার ও ঔপন্যাসিক আর্থার মিলারের সঙ্গে। বিবাহিত জীবনে আর্থারের সঙ্গেই তিনি সবচেয়ে বেশি সুখী ছিলেন। হুট করে জীবনের নানা হতাশায় শুরু করেন মদ্যপান এবং বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবন। গুঞ্জন আছে, সন্তানসম্ভবা হলেও এসব অনিয়মের কারণে মা হতে পারেননি তিনি। ব্যক্তিগত মতের অমিলের কারণে তৃতীয়বারের মতো সংসার ভাঙে মনরোর। উজ্জ্বল ক্যারিয়ার, বাধাহীন খ্যাতি সবকিছু থাকলেও শেষ জীবনে নিঃসঙ্গ কেটেছে মনরোর জীবন।

১৯৬২ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে থাকার সময় প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন তিনি। একাকীত্ব আর দীর্ঘদিনের অসুস্থতা তাকে দিনের পর দিন কাবু করে তুলছিল। গুঞ্জন ওঠে, কেনেডি এবং তার ভাই রবার্ট কেনেডি উভয়ের সঙ্গেই মনরোর প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল।

১৯৬২ সালের ৫ আগস্ট লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ ঘরে বিছানার ওপর মনরোর মরদেহ পাওয়া যায়। পাশে পড়েছিল ওষুধের খালি বোতল। গৃহকর্মী জানায়, মনরো মৃত্যুর আগে জন এফ কেনেডিকে তাদের সম্পর্ক সবার সামনে নিয়ে আসার হুমকি দিয়েছিলেন। সত্যিই যদি মনরো এমন কিছু করতেন তবে সেটি যে কেনেডির জন্য বিপজ্জনক হতো, তা বলাই যায়। তাই তো তার মৃত্যুর পেছনে কেনেডির হাত আছে বলে বিশ্বাস করে ভক্তরা। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়, জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা নিয়ে মনরো আত্মহত্যা করেছিলেন। সত্যিই কি নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছিলেন নাকি ক্ষমতার কাছে হেরে গিয়েছিলেন সে রহস্য আজও রয়ে গেছে।