আমাদের বিয়ার গ্রিলস জামশেদ|204473|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৪ মার্চ, ২০২০ ০০:০০
আমাদের বিয়ার গ্রিলস জামশেদ
জাহেদুল হক

আমাদের বিয়ার গ্রিলস  জামশেদ

জামশেদুল আলম চট্টগ্রাম জেলার প্রথম বাংলা চ্যানেল বিজয়ী। পেশাদার সাঁতারু। বিখ্যাত ম্যারাথন রানার। নামকরা দাবাড়ু, জলবায়ু পরিবর্তনের আপসহীন যোদ্ধা। তাকে নিয়ে লিখেছেন জাহেদুল হক 

জামশেদুল আলমের পূর্বপুরুষের ভিটা চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের পীরখাইন গ্রাম। তার জন্ম ৪ ডিসেম্বর ১৯৯২ সাল। রাঙ্গামাটি জেলার কোতোয়ালি থানার কাঁঠালতলিতে বড় হয়েছেন। বাবা মোহাম্মদ আবুল হাশেম, মা শাহিদা বেগম। দুই ভাই, বোনের মধ্যে জামশেদ ছোট। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে বাবা-মার সঙ্গে, কাঁঠালতলিতে। রাঙ্গামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পাস। এর পর পর বাবা সবাইকে নিয়ে চলে এলেন গ্রামের বাড়িতে। চন্দনাইশ উপজেলার বরকল এস জেড উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস তিনি। বিজিসি ট্রাস্ট অ্যাকাডেমি কলেজ থেকে এইচএসসি। গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজ থেকে বিবিএ। ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে এমবিএস।
স্কুলজীবনে জামশেদ বাংলাদেশ স্কাউটসের বয় স্কাউট ছিলেন। স্কাউটসের প্রশিক্ষণ নিয়ে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে নিজেকে গড়ে তুলেছেন তিনি। কাব ক্যাম্পুরিগুলোতে, ক্যাম্পে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হয়ে অংশ নিয়েছেন। ভালো পারফরমেন্সে পুরস্কারও জিতেছেন। ছাত্রজীবনে তার খেলাধুলায় আগ্রহ ছিল বেশি। কৈশোরে ফুটবলার হিসেবে খুব সফল ও জনপ্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন ক্লাবে ভাড়ায় ফুটবল খেলতে যেতেন। নাম কুড়াতেন। দৌড়, সাঁতার, দাবা খেলায়ও ছিলেন খুব পারদর্শী। স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে খেলাধুলায় হাঁটতে, হাঁটতে এতটুকু এসেছেন তিনি। 
জামশেদের ভ্রমণের শখ সেই শৈশব থেকে। বাবা-মার সঙ্গে রাঙ্গামাটিতে থাকতেন। তখনই পঞ্চম শ্রেণিরতে পড়া অবস্থায় দুর্গম পাহাড়ের অনেক এলাকায় ঘুরে দেখেছেন। রাঙ্গামাটির পাহাড় প্রকৃতি দেখে তখন থেকেই ভ্রমণের নেশা তার। সেই থেকে দেশকে জানার জন্য প্রবল ইচ্ছা জাগে তার মনে। বিভিন্ন সময়ে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের অনেক দুর্গম পাহাড়ি পাড়ায় গিয়ে অধিবাসীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে কাজ করেছেন। সেখানকার অধিবাসীদের বিভিন্ন সময় বিনামূল্যে ওষুধ বিলি করেছেন। অনেক উঁচু পাহাড়েও উঠেছেন তিনি। বান্দরবানের থানচি ও রুমার কটি দুর্গম পাহাড় আছে। রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ির বেশ কয়েকটি পাহাড়ে সামিট করেছেন। 
দেশের সর্ব-দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ থেকে সর্ব-দক্ষিণের দ্বীপ সেন্টমার্টিন পর্যন্ত ১৬.১ কিলোমিটার দীর্ঘ জলপথটি বাংলা চ্যানেল নামে পরিচিত। চ্যানেলে ২০১৯ সালের ২১ মার্চ ১৪তম ফরচুন বাংলা চ্যানেল সুইমিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার ও এক্সট্রিম বাংলা যৌথভাবে আয়োজন করেছে। ৪০ জন প্রতিযোগী সাঁতরে উত্তাল বঙ্গোপসাগর পাড়ি দেওয়ার দৃঢ়প্রত্যয়ী মিশনে অংশ নিয়েছেন। চট্টগ্রাম জেলার একমাত্র প্রতিযোগী ছিলেন জামশেদুল আলম। সকাল ৯টা থেকে শুরু করে বাংলা চ্যানেল জয় করতে তার সময় লেগেছে চার ঘণ্টার কিছু বেশি। সেটি মোট ৩১ জন সাঁতারু একসঙ্গে জয় করেছেন এই বাংলাদেশ। এর আগে এত বেশি সাঁতারু এ দুর্গম পথটি পাড়ি দেননি। চট্টগ্রামের প্রথম বাংলা চ্যানেলজয়ী কৃতী সাঁতারু জামশেদুল আলম। বললেন, ছাত্রজীবন থেকে সাঁতার কাটতে পছন্দ করতেন। স্কুলে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে জিতেছেন। বাংলা চ্যানেল জয়ের পর চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা (সিজেকেএস) তাকে সম্মাননা দিয়েছে। পুরস্কার হিসেবে সিজেকেএস সুইমিং পুলে বিনা ফিতে সাঁতার প্র্যাকটিস করার সুযোগ পাচ্ছেন। গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ও সিজেকেএস সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন তার হাতে সম্মাননা তুলে দিয়েছেন। আনোয়ারা উপজেলার দক্ষিণ বন্দর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী চৌধুরীর পারিবারিক পুকুরে শিশুদের এখন তিনি নিয়মিত সাঁতার শেখান। সেখানে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিশু সন্তানরাসহ এলাকার সাঁতার না জানা অনেক শিশুদের সাঁতার শেখানো হচ্ছে তার উদ্যোগে। তিনিই তাদের কোচ। সাঁতার প্রশিক্ষক হিসেবে গোটা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বেশ সাড়া ফেলেছেন তিনি।
তার আরও কীর্তি আছে। দেশে প্রথমবারের মতো পূর্ণ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে। ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর ম্যারাথনটির খেলার আয়োজন করে ম্যারাথন বাংলাদেশ। ৪২.২ কিলোমিটারের ফুল ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন ও বিজয়ী হয়েছেন জামশেদুল আলম। জয়দেবপুর সড়কের সাড়ে ১০ কিলোমিটার অংশে বিরতিহীন ৪ রাউন্ডের নির্ধারিত সময় ৭ ঘণ্টা ছিল। তিনি সাড়ে ৪ ঘণ্টা সময়ে ম্যারাথন শেষ করে রেকর্ড গড়েছেন। তাদের উপজেলা ও জেলাতে তিনি বেশ কয়েকটি দৌড় প্রতিযোগিতায় হাফ ম্যারাথন রানারের সাফল্য অর্জন করেছেন। 
খেলাকে তিনি জীবনের অংশ মনে করেন। নানা ধরনের খেলায় অংশ নিতে উৎসাহ দেন। হাঁটা, দৌড় ও ভ্রমণকে উৎসাহিত করতে গত বছরের ১৮ অক্টোবর চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা থেকে ৪১ কিলোমিটার হেঁটে বান্দরবানের প্রান্তিক লেকে গিয়েছেন জামশেদুল আলম। ভ্রমণ গ্রুপ বাংলাদেশিয়ানের আয়োজনে এই হাঁটার অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল স্বাস্থ্য বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার সৃষ্টি করা। ভোর ৫টায় আনোয়ারার বরকল সেতু থেকে হাঁটা শুরু করে বান্দরবানের প্রান্তিক লেকে পৌঁছান বেলা ৩টায়। চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া কলেজ গেট, সাতকানিয়ার কেরানীহাটে বিরতি নিয়েছেন। নিজের ক্লান্তি ভুলেছেন। ৪১ কিলোমিটারের দীর্ঘপথ হেঁটে বান্দরবানে যাওয়া খুব কঠিন ছিল। তারপরও জামশেদুল আলম বলেছেন, এই ইভেন্ট সহজ ছিল না জানি। তারপরও হাঁটা, দৌড় ও ভ্রমণকে উৎসাহিত করতেই এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও করব।’ ২০ কিলোমিটারের বেশি হেঁটেছেন তিনি পারকি সমুদ্র সৈকত থেকে গহিরা প্যারাবন, বাঁশখালী চা বাগান, বান্দরবানের থানচি থেকে নাফাকুম ও রুমা থেকে কেওকারাড়ং-সহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে।
২০১৬ সালে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা (সিজেকেএস) থেকে দাবা খেলার প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন তিনি। এরপর থেকে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার দাবা প্রতিযোগিতা, পটিয়া এবিটস কাপ দাবা প্রতিযোগিতা, আন্তঃকলেজ দাবা প্রতিযোগিতাসহ বেশ কয়েকটি দাবা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। পটিয়া এবিটস কাপ ও আন্তঃকলেজ দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মেধাবী এই দাবাড়ু। 
দেশের প্রায় ৩৫টি জেলায় ভ্রমণ করেছেন জামশেদুল আলম। উল্লেখযোগ্য– পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, জামালপুর, বগুড়া, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, খুলনা, বাগেরহাট, ঢাকা,  গোপালগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী, রাজশাহী, সাতক্ষীরা ও যশোর। ভ্রমণে এসব জেলার কৃষ্টি-কালচার, প্রকৃতি সম্পর্কে ব্যাপক ধারণা হয়েছে তার। ভালোবেসেন সরল এই মানুষগুলো, তাদের জীবন।
খেলাধুলার পাশাপাশি মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন তিনি। ২০১৭ সালের ৪ নভেম্বর ১১ জন সমমনাকে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘আনোয়ারা ব্লাড ডোনেট গ্রুপ’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সংগঠনের মাধ্যমে আনোয়ারা উপজেলার ১১ ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামে, গ্রামে রক্তদানের নানা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করেন তারা। এ পর্যন্ত এক হাজারের বেশি রোগীকে রক্ত সহায়তা করেছে তাদের সংগঠন। 
উপজেলার ১১ ইউনিয়নের স্কুল-কলেজে ১২টি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি ও থ্যালাসেমিয়া রোগের সচেতনতা সভা করেছেন। সেগুলোতে উপজেলার ৫ হাজারের বেশি মানুষের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়েছে। চারটি ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পের মাধ্যমে অন্তত এক হাজার নারী-পুরুষকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে তাদের সংগঠনে। ১শ নারী-পুরুষের এই সংগঠনের জামশেদ নিজেও নিয়মিত একজন রক্তদাতা। এ পর্যন্ত নয়জন নারী-পুরুষকে ৯টি ব্যাগ রক্ত দিয়েছেন। 
প্রিয় বাংলাদেশ নামে আরেকটি সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন তিনি। ২০১৯ সালে এই সংগঠনের যুক্ত হয়েছেন। সংগঠনটি ফুটপাতের গরিব-অসহায় বা হতদরিদ্রদের খাবার দিয়ে সহায়তা করে। প্রিয় বাংলাদেশের ‘ফুড ফোর্স’ নামের স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে অভুক্তদের খাবার দিয়ে সহায়তা করছেন তারা। সংগঠনের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের কুড়িগ্রামের বন্যার্ত ,রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ও টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ত্রাণ বিতরণের সুযোগ হয়েছে তার।
ইউটিউবে থ্রায়থলন ও বাংলাদেশিয়ান নামে জামশেদুল আলমের দুটি চ্যানেল রয়েছে। ২০১৮ সালে সাঁতার, দৌড় ও সাইক্লিং (থ্রায়থলন) ভিডিওর মাধ্যমে থ্রায়থলন চ্যানেলটি চালু করা হয়। এটি সারা বিশ্বে জনপ্রিয় একটি চ্যানেল। সাবস্ক্রাইব ২১শ। সাবস্ক্রাইব ও ভিডিওর বিচারে বিশ্বে থ্রায়থলন চ্যানেলের মধ্যে অষ্টম, এশিয়া মহাদেশে প্রথম অবস্থানে আছে। ইংল্যান্ডের বন্ধু রিক তাকে  চ্যানেলটি বাংলাদেশ থেকে পরিচালনা করতে সাহায্য করেন। জামশেদ বাংলাদেশে থ্রায়থলন প্রচার ও প্রসার ঘটাতে কাজ করছেন এখানে। ২০১৯ সালে বাংলাদেশিয়ান নামে আরেকটি ইউটিউব চ্যানেল চালু করেছেন। চ্যানেলে ভ্রমণ নিয়ে ভিডিও আপলোড করা হয়। দেশের বিভিন্ন আকর্ষনীয় ও দর্শনীয় স্থানগুলো বিবরণ, ভিডিওসহ তুলে ধরা হয়। কোন স্থানে কীভাবে যাবেন, থাকা-খাওয়া সব গাইডলাইন থাকে। চ্যানেলটি বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের সুফল, কুফল নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য তিনি চালু করেছেন জলবায়ু বিষয়ক প্রথম ওয়েবসাইট ‘বাংলাদেশিয়ান ডট কম’। তাতে জলবায়ু সংক্রান্ত বিভিন্ন আর্টিকেল লেখা ও ছাপা হয়। ‌‘সেভ ট্রিস সেভ বাংলাদেশ’ স্লোগানে জনসচেতনতা তৈরি করতে তাদের আলাদা স্বেচ্ছাসেবা কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
ঝুঁকি নিয়ে অনেক দুর্গম পথ পাড়ি দিয়েছেন তিনি এই জীবনে। আদিবাসীদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় কাজ করেছেন অনেকবার। জঙ্গলের ভেতর ঘুটঘুটে অন্ধকারে মাইলের পর মাইল হেঁটেছেন। অনেক সময় নির্ভয়ে ঘাসের ওপর ঘুমিয়ে রাত পার করেছেন। সাগরের স্রোতের সঙ্গে তার যে লড়াই, তা বিয়ার গ্রিলসের চেয়ে কম কীসে? 
জামশেদুল আলম থামেননি। বিচক্ষণ পরিকল্পনার ম্যাপ সাজিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পথ থেকে পথে। তার এ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননাও পেয়েছেন অনেক। সিজেকেএস সম্মাননা, স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশন সম্মাননা, প্রিয় বাংলাদেশ সম্মাননা, বাংলা চ্যানেল সুইমিং সম্মাননা ও ম্যারাথন বাংলাদেশ সম্মাননা অন্যতম। জলবায়ু পরিবর্তন বার্তা নিয়ে দূরপাল্লার সাঁতার ও ম্যারাথনে অংশ নেওয়াসহ খেলাধুলাকে জনপ্রিয় করতে করতে চান তিনি। মনে করেন–‘সুস্থ দেহে সুস্থ মনের বাস’। জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার চর্চা করা খুব প্রয়োজন। খেলা ছাড়া জীবন পূর্ণতা পায় না।’