কাউন্সিলর প্রার্থীদের দ্বন্দ্বে আওয়ামী লীগ নেতা খুন|205474|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৯ মার্চ, ২০২০ ২১:১৯
কাউন্সিলর প্রার্থীদের দ্বন্দ্বে আওয়ামী লীগ নেতা খুন
চট্টগ্রাম ব্যুরো

কাউন্সিলর প্রার্থীদের দ্বন্দ্বে আওয়ামী লীগ নেতা খুন

চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী থানার ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে আনোয়ার জাহিদ তানভীর (৪৫) এক আওয়ামী লীগ নেতা খুন হয়েছেন। বুধবার রাতে দক্ষিণ কাট্টলীর সরাইপাড়া লোহার পুল এলাকার মোরশেদ আক্তার চৌধুরীর বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহত তানভীর পাহাড়তলী থানা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এবং একই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোরশেদ আকতার চৌধুরীর সমর্থক ছিলেন। এ ঘটনার জন্য আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ ইসমাইলকে দায়ী করেছেন দলের সমর্থনবঞ্চিত বিদ্রোহী প্রার্থী মোরশেদ আক্তার চৌধুরী।

এ খুনের ঘটনায় ২১ জনকে আসামি করে পাহাড়তলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের ভাই তৌফিক জহির। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোহেল ও জনি নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মোরশেদ আক্তার চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে বলেন, তানভীর আমার নির্বাচনী ক্যাম্পে বসা ছিলেন। ইসমাইলের অনুসারী সোহেল, আকতার, রিপন, নেছারসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী গিয়ে তানভীরের ওপর হামলা করে। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল হক ভুঁইয়া বলেন, পেটে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহতাবস্থায় একজনকে চমেক হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাইনুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘মোরশেদ আক্তার ও মো. ইসমাইল নামে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের দ্বন্দ্বে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। ঘটনায় নিহতের ভাই ২১ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনায় জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।

১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোরশেদ আক্তার চৌধুরী। আওয়ামী লীগের সমর্থন না পাওয়ায় এবার তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। এ ওয়ার্ড এবার আওয়ামী লীগের সমর্থন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডের সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. ইসমাইলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।