logo
আপডেট : ২৬ মার্চ, ২০২০ ১০:৫৪
নিষ্প্রাণ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে দেশবাসী
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিষ্প্রাণ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে দেশবাসী

স্বাধীনতার ৪৯ বছরে এই প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিকতা ও কর্মসূচি ছাড়াই মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করছে দেশবাসী।

ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া মহামারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সারাদেশ একপ্রকার অবরুদ্ধ। এমন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্বাধীনতা দিবসের সকল কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর যে কর্মসূচি হয়, সেটা এবার হচ্ছে না।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোর সমাবেশ, প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ এবং বঙ্গভবনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানও বাতিল করা হয়েছে।

তবে প্রতীকীভাবে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,‘জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে আমরা এবারের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ভিন্নভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জনসমাগম হয়, এমন ধরনের সব অনুষ্ঠানের আয়োজন থেকে সবাইকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান।

আজ সরকারি ছুটি। পত্রিকাগুলো বের করেছে বিশেষ ক্রোড়পত্র। বেতার ও টিভি চ্যানেলগুলো প্রচার করছে বিশেষ অনুষ্ঠান। সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে উড়ছে জাতীয় পতাকা।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাণীতে বলেন, স্বাধীনতার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে আরও অনেক দূর যেতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে দেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করাই হোক মুজিববর্ষে সকলের অঙ্গীকার।’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২৬ মার্চ আমাদের জাতির আত্মপরিচয় অর্জনের দিন। পরাধীনতার শিকল ভাঙার দিন। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। আমরা আজ জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়ন করছি…বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।’

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে ব্যাপক প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও মুজিববর্ষের উদ্বোধন অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়।