অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় দেড় শতাধিক রোহিঙ্গা|210084|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১০ এপ্রিল, ২০২০ ০১:৪৯
অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় দেড় শতাধিক রোহিঙ্গা
কক্সবাজার প্রতিনিধি

অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় দেড় শতাধিক রোহিঙ্গা

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তের মিয়ানমারের অভ্যন্তরে নতুন করে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায়  দেড় শতাধিক রোহিঙ্গা অবস্থান নিয়েছে।  বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে উখিয়া উপজেলা পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া সীমান্ত পয়েন্টের মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পাইশাখ্যালি এলাকায় অবস্থান নেয় তারা।
এ খবরে বাংলাদেশের এপারে রহমতেরবিল এলাকায় মসজিদে জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে মাইকিং করে স্থানীয়দের সর্তক থাকতে বলা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে উখিয়ার পালংখালী আঞ্জুমানপাড়ার ইউপি সদস্য সুলতান আহমদ বলেন, ‘রাতে সীমান্তে দায়িত্বে থাকা একটি সরকারি সংস্থার প থেকে তাদের অবহিত করে যে, বেশ কিছু রোহিঙ্গা সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ চেষ্টা চালাতে পারে। এমন খবরে তার এলাকায় বেশ কয়েকটি মসজিদের মাইকিং করে, এই বিষয়ে সর্তক করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই মূর্হতে (রাত ১১টায়) এলাকার কিছু মানুষ নিয়ে সীমান্তের পাইশাখ্যালি নামক এলাকায় অবস্থান করছি। ওপারের প্যারাবনের ভেতরে বেশ কিছু মানুষের গঞ্জন শোনা যাচ্ছে। কিছুটা নিশ্চিত হওয়া গেছে নবী হোসেন নামক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ এসব রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে নিয়ে আসার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে আমরা সর্তক অবস্থানে রয়েছি। এই দুর্যোগ অবস্থার (করোনাভাইরাস) সময় নতুন করে কোনো রোহিঙ্গা ঢুকতে দেওয়া হবে না।

পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, 'আঞ্জুমানপাড়ার মেদির খাল নামক সীমান্তে দেড় শতাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ বিষয়টি নিয়ে সীমান্তের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে বিজিবির সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা সর্তক অবস্থানে রয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তৎপর রয়েছে। তবে অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে অনেকে করোনা আক্রান্ত রয়েছে। ফলে চিকিৎসার জন্য এ পাড়ে ঢোকার চেষ্টা চালাচ্ছে।

উখিয়া সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গাদের একটি দল বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের বিষয়টি শুনেছি জানিয়ে কক্সবাজার বিজিবি ৩৪ ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ জানান, ‘আঞ্জুমানপাড়ার বিজিবি সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। নতুন করে অবৈধ প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

জানতে চাইলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: আশরাফুল আফছার বলেন, 'বিষয়টি নিয়ে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি'।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নিকারুজ্জান চৌধুরী সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ওই সীমান্তে বিজিবির শক্ত অবস্থানে রয়েছে। যাতে কোনো প্রকার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।