সারা দেশে ১৬ মৃত্যু|219790|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২২ মে, ২০২০ ০০:০০
সারা দেশে ১৬ মৃত্যু
প্রতিদিন ডেস্ক

সারা দেশে ১৬ মৃত্যু

আম্পানের তাণ্ডবলীলায় সারা দেশে অন্তত ১৬ জন মারা গেছে। এ পর্যন্ত যাদের মৃত্যুর খবর এসেছে তাদের বেশিরভাগই ঝড়ে গাছ বা ঘরচাপা পড়ে মারা গেছে। এর মধ্যে যশোরে মারা গেছে পাঁচজন। এছাড়া পিরোজপুরে তিনজন, পটুয়াখালী ও বরগুনায় জেলায় মারা গেছে দুজন করে এবং সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর ও ভোলা জেলায় মারা গেছে একজন করে। 

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও দেশ রূপান্তরের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর অনুসারে একক জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যশোরে। জেলাটিতে মারা গেছে পাঁচজন। যশোরে  ঝড়ের মধ্যে চৌগাছা উপজেলার চাঁদপুর গ্রামে ঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে এক মা ও তার শিশুকন্যা নিহত হয়েছে। শার্শা ও বাঘারপাড়া উপজেলায় মৃত্যু হয়েছে আরও তিনজনের। চৌগাছার স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহিনুর রহমান জানান, রাত ১০টার পর একটি জাম গাছ ভেঙে পড়ে তাদের ঘরের ওপর। এ সময় ঘটনাস্থলে মা খ্যান্ত বেগম (৪৫) ও মেয়ে রাবেয়া (১৩) নিহত হয়। একই রাতে ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে বাঘারপাড়ার বুধোপুরে ডলি বেগম (৪৮) নামে এক নারী বাগআঁচড়া ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের মুক্তার আলী ও গোগা পশ্চিমপাড়ার ময়না বেগম (৩৮) নিহত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের মধ্যে মঠবাড়িয়া উপজেলায় দুজন এবং ইন্দুরকানী উপজেলায় একজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মোজাহারুল ইসলাম। ওই তিনজন হলো মঠবাড়িয়া উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের গিলাবাদ গ্রামের মজিদ মোল্লার ছেলে শাহজাহান মোল্লা (৫৫) ও আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ধুপতি গ্রামের মুজাহার বেপারির স্ত্রী গোলেনুর বেগম (৭০) এবং ইন্দুরকানী উপজেলার উমিদপুর এলাকার মতিউর রহমানের ছেলে শাহ আলম (৫০)। চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নে আম কুড়াতে গিয়ে ঝড়ের মধ্যে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে জান্নাত বেগম (৪০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। ঝিনাইদহে রাতে ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে সাতক্ষীরা সদরে গাছ ভেঙে পড়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, বুধবার সন্ধ্যার পর জেলা শহরের কামালনগরে আমগাছ ভেঙে পড়ে ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়। তবে নিহতের পরিচয় জানাতে পারেননি তিনি। আম্পানের প্রভাবে পটুয়াখালীতে গাছ পড়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) এক সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভোলার চরফ্যাশনে ঝড়ে গাছচাপা পড়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। ছিদ্দিক ফকির নামের ৭০ বছরের ওই বৃদ্ধ বয়স্কভাতা আনার জন্য ভাড়া করা মোটরসাইকেলে উপজেলা সদর চরফ্যাশনের দিকে যাচ্ছিলেন।

বরগুনার সদর উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে শহীদুল  নামে এক রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা আক্তার জানান, শহীদুল আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন।