২০ বছরেও সংস্কার হয়নি|246900|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০
২০ বছরেও সংস্কার হয়নি
ইমরান হাসান রাব্বী, শেরপুর

২০ বছরেও সংস্কার হয়নি

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নে খাসজমির ওপর নির্মিত কুঞ্জবিলাস কান্দুলী আশ্রয়ণ প্রকল্পটি সংস্কার হয়নি দীর্ঘ ২০ বছরেও। সংস্কার না করায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে কুঞ্জবিলাস। এতে কষ্টে জীবনযাপন করছেন বাসিন্দারা।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে সরকারি অর্থায়নে উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের কান্দুলী গ্রামে ৮ দশমিক ০৮ একর খাসজমির ওপর সেনাবাহিনী ‘কুঞ্জবিলাস কান্দুলী আশ্রয়ণ প্রকল্প’টি নির্মাণ করে। প্রকল্পে মসজিদ, কবরস্থান, পুকুর, সমবায় সমিতির কার্যালয়সহ টিনের তৈরি ছয়টি ব্যারাক রয়েছে। প্রতিটি ব্যারাকে দশটি করে ছোট কক্ষ রয়েছে। ওই সময় ৭ শতাংশ কৃষি ও ২ দশমিক ৫০ শতাংশ আবাসিক জমিসহ একটি ভূমিহীন পরিবারকে এসব ব্যারাকের একটি করে কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পে দশটি পরিবারের জন্য যৌথভাবে চারটি শৌচাগার ও দুটি গোসলখানা নির্মাণ করা হয়। প্রতিটি ব্যারাকের জন্য একটি করে নলকূপ ও একটি কমিউনিটি সেন্টারও রয়েছে। কিন্তু ২০ বছরেও কোনো সংস্কার না করায় এসবের অনেক কিছুই এখন নষ্ট হয়ে গেছে।

সম্প্রতি গিয়ে দেখা যায়, সব কয়টি ব্যারাক জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ঘরের ছাউনির টিনগুলো মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। বৃষ্টি এলে ঝমঝমিয়ে পানি পড়ে ঘরের  ভেতরে। দরজা-জানালার কপাট ভেঙে যাওয়ায় চটের বস্তা দিয়ে বন্ধ করার চেষ্টা করেছেন ভুক্তভোগীরা। কোনোরকমে থাকার জন্য দুই-একজন নিজেদের টাকা ব্যয় করে টিনের দোচালা ঘরও করেছেন।

কান্দুলী আশ্রয়ণ প্রকল্প সমবায় সমিতির সভাপতি হারুন মিয়া বলেন, প্রতিটি ব্যারাকের চালের টিন ছিদ্র হয়ে গেছে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে প্রকল্প এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। সরকারের কাছে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘর মেরামত ও মাটি ভরাটের দাবি জানাই। ধানশাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, নির্মাণের দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও এগুলোর সংস্কার না করায় এখন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রকল্পটি সংস্কার করা দরকার।

এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ বলেন, দ্রুত সংস্কার করা হবে এবং মাটি ভরাটের জন্য বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হবে।