সেই ৮৩ জনের মুক্তি প্রশ্নে রুল হাইকোর্টের|247148|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০
দেশে ফিরে কারাবন্দি
সেই ৮৩ জনের মুক্তি প্রশ্নে রুল হাইকোর্টের
নিজস্ব প্রতিবেদক

সেই ৮৩ জনের মুক্তি প্রশ্নে রুল হাইকোর্টের

ভিয়েতনাম ও কাতার ফেরত কারাবন্দি ৮৩ বাংলাদেশির মুক্তির প্রশ্নে রুল জারি করেছে উচ্চ আদালত। এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের ওপর গতকাল সোমবার শুনানি শেষে তাদের কেন মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

গত ১৮ আগস্ট ভিয়েতনাম ও কাতার থেকে ১০৬ বাংলাদেশিকে ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয়। করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে তাদের সবাইকে উত্তরা দিয়াবাড়ী ক্যাম্পে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। গত ৩১ আগস্ট তাদের কোয়ারেন্টাইন শেষ হয়। এরমধ্যে বিদেশে অপরাধ করেছেন- পুলিশের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১০৬ জনের মধ্যে ৮৩ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করে রাজধানীর তুরাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮১ জন ভিয়েতনাম ফেরত। দুজন এসেছেন কাতার থেকে। গত ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত সিকদার শুনানি শেষে ৮৩ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই থেকে তারা কারাবন্দি। পুলিশ তখন জানায়, ওই দু’দেশে অবস্থানকালে তারা অপরাধ করেছেন। কারাগারেও ছিলেন। ভিয়েতনাম থেকে তাদের অপরাধের বিষয়টি বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে। সে কারণে ৮৩ জনকে সন্দেহভাজন (ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা) আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সম্প্রতি তাদের মুক্তির নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী সালাউদ্দিন রিগান। আবেদনের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক।

অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন রিগান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এই ৮৩ জন নাকি ভিয়েতনামে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র করেছেন। যদি তাই হয় তাহলে ভিয়েতনাম সরকার তাদের সাধারণ ক্ষমায় বাংলাদেশে পাঠায় কীভাবে? তারা বৈধ পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে গিয়েছে এবং এসেছে। পুলিশ বলছে, তাদের ঠিকানা পাওয়া যায়নি। কিন্তু ঠিকানাবিহীন একজন পাসপোর্ট কীভাবে পায়। মানবিক কারণে এ রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রুল দিয়েছেন।’ আইনজীবী জানান, স্বরাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, আইজি প্রিজন ও তুরাগ থানার ওসিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।