মাসেই ব্যয় ৫১৮ কোটি টাকা|247158|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০
ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা
মাসেই ব্যয় ৫১৮ কোটি টাকা
রূপান্তর ডেস্ক

মাসেই ব্যয় ৫১৮ কোটি টাকা

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন মূল দুই প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেন। গত রবিবার দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শুধু গত আগস্টেই নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পের ব্যয় হয়েছে ৬১ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫১৮ কোটি ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৮ টাকা)। একই মাসে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা দল জো বাইডেনের তুলনায় অধিক পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে নির্বাচনের জন্য। এ সংগৃহীত অর্থের অধিকাংশই মূলত সমর্থকদের অনুদান।

চলতি মাসের শুরুর দিকে নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ট্রাম্প তার প্রচারণা তহবিল থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করেছেন। এই ব্যক্তিগত কাজের মধ্যে রয়েছে তার পক্ষে বিভিন্ন মামলা লড়তে থাকা আইনজীবীদের পারিশ্রমিক। ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ট্রাম্প তার আয়ের ও করের কোনো বিবরণী প্রকাশ করেননি। এ নিয়ে কয়েক দফায় বিতর্ক হলেও প্রেসিডেন্টের  ক্ষমতা কাটিয়ে তিনি নিজের অর্থ বিবরণী প্রকাশ থেকে বিরত থেকেছেন।

২০২০ সালের ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। ফলে প্রচারাভিযান এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে অনেক ভোটার রয়ে গেছেন যারা এখনো সিদ্ধান্ত নেননি কাকে ভোট দেবেন। মূল দুই প্রার্থী ট্রাম্প ও বাইডেন উভয়ই চেষ্টা করছেন এই ঝুলন্ত ভোটারদের কাছে টানতে। তবে এমন ভোটারদের অনেকেই এ দুই প্রার্থীর কাউকে নিয়েই খুশি নন। তারপরও নির্বাচনী প্রচারণায় ঝুলন্ত ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প ও বাইডেন।

রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট উভয় শিবির থেকেই বলা হচ্ছে, ২০২০ সালের এ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হচ্ছে ভোটারদের জীবনকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। তারা প্রচারাভিযানের জন্য গত কয়েক সপ্তাহে যে পরিমাণ অর্থ তুলছে তাও নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এবারের নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়বে, যেমনটা হয়েছিল ১৯৯০ সালে রোনাল্ড রিগ্যানের সময়।

এখানে বলে রাখা দরকার, এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প ও বাইডেন শক্তিশালী প্রার্থী হলেও এর বাইরে আরও প্রার্থী রয়েছেন। তারা হচ্ছেন লিবার্টারিয়ান পার্টির জো ইয়র্গেনসেন, গ্রিন পার্টির হাওয়ি হকিন্স, বার্থডে পার্টির কানিয়ে ওয়েস্ট, অ্যালায়েন্স অ্যান্ড রিফর্ম পার্টির রকি দে লা ফুয়েন্তে এবং কনস্টিটিউশন পার্টির ডন ব্ল্যাংকেনশিপ। তবে রাজনৈতিক বিবেচনায় মূল লড়াই হবে ট্রাম্প ও বাইডেনের মধ্যেই।