ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামী ৪-১৭ অক্টোবর|247592|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০
ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামী ৪-১৭ অক্টোবর
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামী ৪-১৭ অক্টোবর

আগামী ৪ থেকে ১৭ অক্টোবর সারা দেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মোট ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে বিনামুল্যে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী প্রায় ৩৪ লাখ শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লাখ আইইউ মাত্রা) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লাখ আইইউ মাত্রা) খাওয়ানো হবে। ১ লাখ ২০ হাজার ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে ২ লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ খাওয়াবেন। করোনার কারণে এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনেই এই ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। তবে নিজ নিজ এলাকার কেন্দ্রে আসা শিশুর অভিভাবকদের অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করে আসতে হবে।

গতকাল বুধবার ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও কার্যপরিকল্পনা সভায়’ জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের লাইন ডিরেক্টর (এনএনএস) ডা. এস এম  মুস্তাফিজুর রহমান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, যেসব শিশু ভ্রমণে থাকবে, তাদের ৪ থেকে ১৭ অক্টোবরের মধ্যে আট দিন ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময় নিকটবর্তী ইপিআই টিকাদান কেন্দ্র থেকে নিজ দায়িত্বে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

এই কর্মকর্তা জানান, জার্মানিতে উৎপাদিত নীল রঙের ক্যাপসুল ইউনিসেফের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে। লাল রঙের ক্যাপসুল সংগ্রহ করা হয়েছে দেশি কোম্পানি রেনেটা ও গ্লোবাল ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড থেকে। তবে ছয় মাসের কম বয়সী শিশু, পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশু, চার মাসের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’প্রাপ্ত শিশু ও অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ভিটামিন ‘এ’ অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে, শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায় এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। দেশে বছরে দুইবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়। তবে এবার করোনা মহামারীর কারণে তিন মাস পিছিয়ে নয় মাস পর এ ক্যাম্পেইন করা হচ্ছে।