বৈরী আবহাওয়ায় সেন্টমার্টিন আটকা ২ শতাধিক পর্যটক|253744|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২২ অক্টোবর, ২০২০ ১৬:৫৬
বৈরী আবহাওয়ায় সেন্টমার্টিন আটকা ২ শতাধিক পর্যটক
কক্সবাজার প্রতিনিধি

বৈরী আবহাওয়ায় সেন্টমার্টিন আটকা ২ শতাধিক পর্যটক

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে দেশের সমুদ্র উপকূলে ৩ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত থাকায় কক্সবাজারের সঙ্গে সেন্টমার্টিন দ্বীপের জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ কারণে বুধ ও মঙ্গলবার সেন্টমার্টিনে বেড়াতে যাওয়া প্রায় দু’শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছে। তাদের অনেকেই বৃহস্পতিবার ফিরে আসার কথা ছিল।

সেন্টমার্টিন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তারেক মাহমুদ জানিয়েছেন, ‘হঠাৎ বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ, কক্সবাজারের সঙ্গে সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে দু’শতাধিক পর্যটক সেন্টমার্টিনে আটকা পড়ে আছে। বিশেষ করে সাগরে ৩ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত বলবৎ থাকায় কক্সবাজার থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ কর্ণফুলী সেন্টমার্টিন যায়নি। টেকনাফ বন্দর থেকে এখনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়নি।তবে সব পর্যটক স্ব স্ব হোটেলে নিরাপদে রয়েছে।’

সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান হাবিব খান জানিয়েছেন, বুধবার দুপুরে আবহাওয়া অফিস থেকে সমুদ্র উপকূলকে ৩ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হলে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যারা বেড়াতে আসে তাদের জাহাজে করে কক্সবাজারে চলে যেতে মাইকিং করা হয়। কিন্তু অনেকেই সংকেত উপেক্ষা করে সেন্টমার্টিন দ্বীপে থেকে যায়।

তিনি জানান বর্তমানে দ্বীপে প্রায় দু’ শতাধিক পর্যটক বিভিন্ন রিসোর্টে রয়েছে। তারা নিরাপদে রয়েছে। তাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। সাগরের পরিস্থিতি ভালো হলে তারা নিরাপদে কক্সবাজারে ফিরে যেতে পারবে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, হুঁশিয়ারি সংকেত উপেক্ষা করে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যে সব পর্যটক রয়ে গেছে তারা যাতে কোনো সমস্যায় না পড়ে সে ব্যাপারে সেন্টমার্টিন পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আটকে পড়া পর্যটকদের সাশ্রয় মূল্যে থাকা এবং খাওয়ার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের প্রধান আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, সাগরে লঘুচাপের কারণে সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর। লঘুচাপের কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবারও ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।