আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ‘করোনা বুলেটিন’|272505|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০
আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ‘করোনা বুলেটিন’
ফিরোজ মিয়াজী

আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ‘করোনা বুলেটিন’

মার্চের সেই ৮ তারিখ। দেশে প্রথম করোনা শনাক্তের দিন। ওইদিন আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সংবাদ সম্মেলনে এসে জানান, নমুনা পরীক্ষার পর তিন বাংলাদেশির দেহে করোনার সংক্রমণ মিলেছে। আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী। তাদের দুজন ইতালির দুটি শহর থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন। এদের মধ্যে একজনের সংস্পর্শে আসায় পরিবারের আরেক সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বুলেটিন শোনার জন্য দেশবাসী প্রতিদিন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন। বেতারের এসব বুলেটিনের মাধ্যমে দেশবাসী রণাঙ্গনের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবগত হতেন। করোনাভাইরাস মহামারী যেন পঞ্চাশ বছর আগের সেই বিভীষিকাময় দিনগুলো কিছুদিনের জন্য আবার ফিরিয়ে আনে। সংবাদের প্রতি অনাগ্রহী মানুষ ফের আগ্রহী হয়ে ওঠে। মৃত্যু আতঙ্ক ছড়ানো অজানা এই ভাইরাসে নতুন কতজন আক্রান্ত হলো, কতজন মারা গেল এসব তথ্য জানতে প্রতিদিন মানুষ উদগ্রীব থাকত সরকারিভাবে প্রচারিত করোনা বুলেটিনের অপেক্ষায়। প্রতিদিনকার নতুন নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য লকডাউনে বন্দি মানুষের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিত। যদিও বর্তমানে শুধু প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমেই করোনার সর্বশেষ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে গত ১১ আগস্ট পর্যন্ত এই বুলেটিন সরাসরি সম্প্রচার করা হতো।

নতুন ভাইরাস, নতুন আতঙ্ক

নতুন করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর, এটা মোটামুটি সবার জানা। কিন্তু ভাইরাসটির উৎপত্তির সঠিক সময় নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। কারণ, এই ভাইরাসের সঠিক তথ্য প্রকাশে শুরু থেকেই চীনসহ অন্যান্য দেশ লুকোচুরি করেছে। তবে চীনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার মাধ্যমে এই ভাইরাস বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক ছড়ানো শুরু করে মূলত গত বছর জানুয়ারির শেষ দিক থেকে। জানুয়ারির ৩০ তারিখ প্রতিবেশী দেশ ভারতে প্রথমবারের মতো পাঁচজনের মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়। এরপর বাংলাদেশে এই ভাইরাসের আতঙ্ক বাড়তে থাকে। আতঙ্কিত জনগণকে অজানা এই ভাইরাস সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য দিতে ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখ থেকে দেশে প্রথম নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন শুরু করে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। তবে তখনো এই সংবাদ সম্মেলন মানুষের অতটা আগ্রহে আসেনি। ফেব্রুয়ারির ২৬ তারিখ প্রতিবেশী পাকিস্তানেও অন্তত ৬ জনের মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়। দেশের মানুষের উদ্বেগ আরও বাড়ে। ততক্ষণে বিশ্বের ১০০ দেশ ও অঞ্চলে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তানের সঙ্গে নেপালেও ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। কিন্তু তখনো বাংলাদেশে আসেনি।

প্রথম শনাক্তের দিন

মার্চের সেই ৮ তারিখ। দেশে প্রথম করোনা শনাক্তের দিন। ওইদিন আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সংবাদ সম্মেলনে এসে জানান, নমুনা পরীক্ষার পর তিন বাংলাদেশির দেহে করোনার সংক্রমণ মিলেছে। আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী। তাদের দুজন ইতালির দুটি শহর থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন। এদের মধ্যে একজনের সংস্পর্শে আসায় পরিবারের আরেক সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন।

দেশে করোনা শনাক্তের এই খবরে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এটা এমন এক ভাইরাস, যার ব্যাপারে তেমন কিছুই জানা নেই, আক্রান্ত হলে নিরাময়ের ওষুধ নেই, আক্রান্তকে পুরো একঘরে করে রাখা হয়, সমাজের সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়, সঙ্গে রয়েছে মৃত্যুর ভয়। দেশে এমন এক ভাইরাসের আগমন নিশ্চয়ই কারও জন্যই সুখকর নয়। তাই তো এ ভাইরাসে এত আতঙ্ক। প্রথম রোগী শনাক্তের দশ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে করোনায় প্রথম ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এবার মানুষের উদ্বেগ সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়। একপর্যায়ে মার্চের ২৬ তারিখ থেকে দেশে সব যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। শুরু হয় অঘোষিত লকডাউন। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ৬৪ জেলা।

আগ্রহের কেন্দ্রে বুলেটিন

লকডাউনে ঘরবন্দি মানুষ। কাজকর্ম নেই। বসে-শুয়ে অলস সময় পার করছে সবাই। যে অজানা ভাইরাস পুরো দেশ তথা বিশ্বকে এভাবে অবরুদ্ধ করে ফেলল, সেই ভাইরাস সম্পর্কে জানতে কার না আগ্রহ আছে। এর সঙ্গে দেশে আরও কতজন আক্রান্ত হলো, কতজন মারা গেল, নিজের এলাকায় কেউ শনাক্ত হলো কি-না, বিশ্বের অন্যান্য দেশের পরিস্থিতি কী, নতুন এ ভাইরাস সম্পর্কে আর কী কী তথ্য জানা গেল এসবই ছিল সবার আগ্রহের বিষয়। তাই তো ঘরবন্দি মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে আইইডিসিআর ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সরাসরি সম্প্রচারিত বুলেটিন। টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রেডিওতে সরাসরি সম্প্রচার হতো এ বুলেটিন।

নিজের দেশ ও বিশ্বব্যাপী করোনার সর্বশেষ তথ্য জানতে এ বুলেটিনের অপেক্ষায় থাকত সবাই। শুরুর দিকে বিকেল সাড়ে ৩টা বা ৪টায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানানো হতো। কিছুদিন সকাল ১০টার দিকেও করা হয়। এরপর তা দুপুর ২টায় নিয়ে আসা হয়, কিন্তু ২টায় টেলিভিশনগুলোর সংবাদ থাকায় তা আধঘণ্টা পিছিয়ে পরবর্তীতে আড়াইটায় নিয়ে আসা হয়। নির্দিষ্ট সময়ে কেউ রেডিও-টেলিভিশনের সামনে, কেউ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত লাইভ বুলেটিন নিয়ে ব্যস্ত। দৈনিক নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা থাকত সবার মুখে মুখে। বাড়ত উদ্বেগ। ব্যবসা-বাণিজ্য, রুটি-রুজির সব উপায় বন্ধ হয়ে আছে। সবার একটাই কামনা, কবে শেষ হবে এই রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি। তাই পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, ভালো নাকি খারাপের দিকে, ভালো কোনো খবর আছে কি-না এসব জানতে বুলেটিনই ছিল ভরসা।

ব্রিফিং থেকে বুলেটিন, তারপর বিজ্ঞপ্তি

প্রথম দিকে সংবাদ সম্মেলন আকারে করোনার সর্বশেষ আপডেট জানাতো আইইডিসিআর। মার্চে করোনা শনাক্তের পর সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তখন আইইডিসিআর কার্যালয়ের পরিবর্তে সংবাদ সম্মেলন শুরু হয় মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন ভবন থেকে। তখনো এর নাম বুলেটিন ছিল না। সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং করা হতো। সাংবাদিকদের প্রশ্ন করারও সুযোগ ছিল। একপর্যায়ে সাংবাদিক ও ব্রিফিংয়ে উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তাদের করোনায় আক্রান্তের আশঙ্কায় সেই ব্রিফিং অনলাইনে চলে যায়। অর্থাৎ ভার্চুয়ালি ব্রিফিং শুরু হয় এবং তাতে সাংবাদিকরা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রশ্ন করার সুযোগ পেতেন। কিন্তু ৮ এপ্রিল থেকে সাংবাদিকদের প্রশ্ন করার সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়, এমনকি মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে আইইডিসিআর ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ওপর কড়াকড়ি আরোপ হয়। ওইদিনের পর থেকেই প্রেস ব্রিফিংয়ের নাম বদলে ‘স্বাস্থ্য বুলেটিন’ আকারে করোনার সর্বশেষ তথ্য প্রচার চালু করা হয়। ১১ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় পাঁচ মাস ধরে সেভাবেই চলতে থাকে। ১২ আগস্ট থেকে অনলাইনে সরাসরি প্রচারও বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শুধু ‘স্বাস্থ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তি’ আকারে গণমাধ্যমে পাঠানো শুরু হয়, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

আলোচনায় আইইডিসিআর ও সেব্রিনা ফ্লোরা

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) নামে দেশে একটি প্রতিষ্ঠান আছে, এটা করোনাকালের আগে খুব কম মানুষই জানত। করোনার সর্বশেষ তথ্য প্রচারের মধ্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি আলোচনায় আসে। তবে আইইডিসিআরের চেয়ে বেশি আলোচনায় ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। ক্যামব্রিজের পিএইচডি ডিগ্রিধারী ডা. ফ্লোরাই শুরুর দিকে করোনার সর্বশেষ তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতেন। উচ্চশিক্ষা, জড়তাহীন কথাবার্তার পাশাপাশি তার টিপটপ সাজগোজ সবার দৃষ্টি কেড়েছে। এ ছাড়া প্রতিদিন আলাদা আলাদা শাড়ি পরে তার প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত হওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতাও কম হয়নি। আলোচিত ডা. ফ্লোরা এখন আর আইইডিসিআরে নেই। গত আগস্টে তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে নিয়োগ দেয় সরকার।

বুলেটিনের চেনা মুখ

করোনা সংক্রমণের শুরুর দিকে অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাই আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত হতেন। তখন তার সঙ্গে মাঝেমধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তৎকালীন মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদও ব্রিফিংয়ে আসতেন। এরপর অধিদপ্তরের তৎকালীন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনা ও এমআইএস বিভাগের পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমানও বেশ কয়েক দিন ব্রিফিং পরিচালনা করেন। তবে বুলেটিন চালুর পর অধিকাংশ দিনই সর্বশেষ তথ্য নিয়ে হাজির হয়েছেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানা। সরাসরি সম্প্রচারিত বুলেটিনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনিই ছিলেন এবং বর্তমানে তার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিই প্রতিদিন সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো হয়। এ ছাড়া সরাসরি সম্প্রচারিত বুলেটিনে মাঝেমধ্যে নিজের বাসা থেকে যুক্ত হতেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। প্রথম দিকে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন তিনি।

ব্রিগেডিয়ার শহীদুল্লাহর চলে যাওয়া

কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) তৎকালীন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহীদুল্লাহ। বুলেটিনে মাঝেমধ্যেই উপস্থিত হতেন। করোনা মোকাবিলায় ব্যবহৃত মাস্কসহ বিভিন্ন সুরক্ষা সামগ্রীর আমদানি, বিতরণ ও মজুদের তথ্য জানাতেন। সুরক্ষা সামগ্রীর তথ্য দেওয়া সেই শহীদুল্লাহ নিজেকেই করোনা থেকে সুরক্ষা করতে পারলেন না। সিএমএইচের আইসিইউ ও ভেন্টিলেশনে বেশ কয়েক দিন করোনার সঙ্গে লড়াই করে গত ২৫ জুলাই মারা যান তিনি। ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী ও মাস্কের মান এবং কেনাকাটা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠতে থাকায় মৃত্যূর প্রায় দুই মাস আগে শহীদুল্লাহকে সিএমএসডি থেকে সেনাসদর দপ্তরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। মৃত্যুর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে লেখা এক চিঠিতে তিনি সিএমএসডিসহ গোটা স্বাস্থ্য খাতকে ‘সিন্ডিকেট বাণিজ্যমুক্ত’ করার অনুরোধ জানান এবং সিন্ডিকেটের হোতাদের নামও উল্লেখ করে যান।

বুলেটিনের যত তথ্য

বুলেটিনের প্রধান তথ্যই হচ্ছে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এর পাশাপাশি সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় কতজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, কতটির পরীক্ষা হয়েছে, কতজন সুস্থ হয়েছে এবং এ যাবত শনাক্ত, মৃত্যু ও সুস্থের মোট সংখ্যাও দেওয়া হয়। প্রথম দিকে নতুন আক্রান্ত ও মৃতদের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হতো। বর্তমানে  আক্রান্তদের শুধু সংখ্যা জানানো হয় আর মৃতদের বিভাগ ও বয়সের তথ্য দেওয়া হয়। বুলেটিনে আরও উল্লেখ থাকে ২৪ ঘণ্টায় কতজনকে কোয়ারেন্টাইনে ও আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে, কতজন ছাড়া পেয়েছে এবং কতটি সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বরাতে বিশ্বব্যাপী করোনার সর্বশেষ তথ্যও সংক্ষেপে জানানো হয়। বুলেটিনের শেষে করোনা থেকে বাঁচতে করণীয় সম্পর্কে বলা হতো। যদিও সময়ের সঙ্গে বুলেটিনের তথ্যের নানা পরিবর্তন ও সংযোজন-বিয়োজন হয়েছে। বর্তমানে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো স্বাস্থ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যের কলেবর আরও বেড়েছে।

লেখক : সাংবাদিক