বিদ্রোহী নিয়ে বিপাকে আ.লীগ জামায়াতে ভর বিএনপির|272528|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০
পৌর নির্বাচনে সরগরম মুন্ডুমালা
বিদ্রোহী নিয়ে বিপাকে আ.লীগ জামায়াতে ভর বিএনপির
আহসান হাবীব অপু, রাজশাহী

বিদ্রোহী নিয়ে বিপাকে আ.লীগ জামায়াতে ভর বিএনপির

আসছে ৩০ জানুয়ারি রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা পৌরসভায় ভোট। নির্বাচনকে ঘিরে মুন্ডুমালা এখন সরগরম। ভোটারদের মন জয়ে ব্যস্ত প্রার্থীরা রাতদিন এক করে ছুটছেন ঘরে ঘরে-হাটবাজারে।

মুন্ডুমালা পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থী জয়ের আশা করছেন জামায়াতের ভোটের ওপর ভর করে। এবার জামায়াতের প্রার্থী না থাকায় সমর্থকরা শেষ পর্যন্ত বিএনপির প্রার্থীর দিকে ঝুঁকবেন বলে আশা করছেন ধানের শীষের প্রার্থী ফিরোজ কবির।

অপরদিকে, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বিপাকে আছেন বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে। বিদ্রোহী প্রার্থী সাইদুর রহমানকে দল থেকে বহিষ্কার করার পরও তার অবস্থান ভাবিয়ে তুলেছে নৌকার প্রার্থী আমির হোসেন আমিনকে। 

রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা পৌরসভার নির্বাচনে পোস্টারে ছেয়ে গেছে এলাকা। এখানকার বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম রাব্বানী এবারে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। এ কারণে এখানে নৌকার প্রার্থী হয়েছেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমিন।

তবে, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমানও ভোটের মাঠ ছাড়েননি। তিনি দলীয় মনোনয়ন চেয়ে নৌকা না পেয়ে জগ প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত না মানায় গত বুধবার তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেকেরই সমর্থন পাচ্ছেন সাইদুর। কেউ প্রকাশ্যে, কেউবা গোপনে সাইদুরের পক্ষে দাঁড়াচ্ছেন। এ অবস্থায় বিএনপির একক প্রার্থীর বিপক্ষে আওয়ামী লীগের দুজন প্রার্থী হওয়ায় ভোটাররাও বিভক্ত- এমনটাই বলছেন স্থানীয় ভোটাররা। এ অবস্থায় বিএনপি দলীয় প্রার্থী সুবিধাজনক অবস্থায় আছেন বলেই দাবি করছেন।

বিএনপি দলীয় প্রার্থী ফিরোজ কবির বলেন, আগের নির্বাচনে দ্বিতীয় হয়েছিলাম। এবার মাঠ ভালো আছে। গতবার ১৫০০ ভোটে হেরেছিলাম। আমার সঙ্গে গতবার জামায়াত ছিল না। এবার আমি একাই জামায়াত ও বিএনপির প্রার্থী।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাইদুর রহমান বলেন, আমি আওয়ামী লীগের পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলাম। জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা আছে। আমি এবার বিপুল ভোটে জয়ী হব। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ আমার সঙ্গে অনেক বছর থেকেই আছে। আশা করছি জিতব।

তবে, আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী আমির হোসেন আমিন বলেন, আমি অনেক নির্বাচন করেছি। ২৫ বছর ধরে  মানুষের সেবায় আছি। সর্বপ্রথম মেম্বার (ইউপি সদস্য) ছিলাম। এরপর পৌরসভার শুরু থেকে তিন বারের কাউন্সিলর। দ্ইু বারের প্যানেল মেয়র। আমি মুন্ডুমালা পৌরসভার সাধারণ সম্পাদক। এবার মাঠ ভালো আছে। আমার কোনো বদনাম নেই। মানুষ আমাকে ফেলে দেবে না। বিপুল ভোটে পাশ করব আশা করছি।

প্রসঙ্গত, তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা পৌরসভা ২০০২ সালের ১৪ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। এ পৌরসভায় মোট ভোটার ১৭ হাজার ৬৯৬ জন।