‘যোগ্যতাবিহীন’ শিক্ষকদের অবসরভাতা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে: প্রতিমন্ত্রী|272620|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫৩
‘যোগ্যতাবিহীন’ শিক্ষকদের অবসরভাতা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে: প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘যোগ্যতাবিহীন’ শিক্ষকদের অবসরভাতা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে: প্রতিমন্ত্রী

জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরে যাওয়া ‘যোগ্যতাবিহীন’ শিক্ষকদের অবসরভাতা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানিয়েছেন।

রবিবার সংসদে জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারীর প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয়কৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যোগ্যতাবিহীন শিক্ষকদের অবসরভাতা মঞ্জুরির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের যোগ্যতাবিহীন বাদে অন্য শিক্ষকদের অবসরভাতা যথাসময়ে দেওয়া হচ্ছে।

বর্তমান সরকার তিন ধাপে নিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৬ হাজার ১৯৩টি জাতীয়করণ করে। এসব বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষকের কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা ছিল না। জাতীয়করণের পর শিক্ষক আত্তীকরণের সময় তাদেরকে তিন বছরের মধ্যে যোগ্যতা অর্জন করতে বলা হয়।

এসব শিক্ষকের একটি অংশ কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হন। যোগ্যতা অর্জন না করেই অনেকে অবসরেও গেছেন। অবসরে যাওয়া শিক্ষকরা পেনশন-গ্র্যাচুয়িটি পাচ্ছেন না।

চট্টগ্রাম-১১ আসনের এম আবদুল লতিফের প্রশ্নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যের উদ্বৃতি দিয়ে বলেন, বর্তমানে সাত বছর তদুর্ধ্ব স্বাক্ষরতার হার ৭৪.৪%। এর মধ্যে পুরুষ ৭৬.৫% এবং মহিলা ৭২.৩%। বর্তমানে ১৫ বছর তদুর্ধ্ব স্বাক্ষরতার হার ৭৪.৭%। এর মধ্যে পুরুষ ৭৭.৪% এবং মহিলা ৭১.৯%।

বিএনপির আমিনুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, ২০০৯ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৯৯ হাজার ৪৯৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে চার হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা অবসর ভাতা দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, নতুন বেতন স্কেল (২০১৫) অনুযায়ী অবসর ভাতার পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় বর্ধিত স্কেলে ভাতা প্রদানে সময় লেগে যায়। যার কারণে আবেদনের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকে। ২০১৮ সাল পর্যন্ত জমাকৃত সব আবেদন ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে বলে তিনি জানান।

জাতীয় পার্টির লিয়াকত হোসেন খোকার প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।