সিঙ্গাপুরে ভ্যাকসিন কারখানা বানাচ্ছে ফাইজার|292358|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১১ মে, ২০২১ ০০:০০
সিঙ্গাপুরে ভ্যাকসিন কারখানা বানাচ্ছে ফাইজার
রূপান্তর ডেস্ক

সিঙ্গাপুরে ভ্যাকসিন কারখানা বানাচ্ছে ফাইজার

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফাইজার-বায়োএনটেক সিঙ্গাপুরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সদর দপ্তর বানাবে এবং সেখানে এমআরএনএভিত্তিক ভ্যাকসিন তৈরি করবে। গতকাল সোমবার প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে নতুন এই কারখানা তৈরির উদ্যোগের বিষয়টি প্রকাশ করা হয় বলে জানিয়েছে এএফপি।

এক বিবৃতিতে জার্মান এই কোম্পানিটি জানায়, সিঙ্গাপুরে ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানার অবকাঠামো নির্মাণ এ বছরই শুরু হবে এবং ২০২৩ সাল নাগাদ কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।

বায়োএনটেকের প্রধান নির্বাহী উগুর সাহিন বলেন, ‘পরিকল্পনা অনুযায়ী এই এমআরএনএ উৎপাদন কারখানার মাধ্যমে আমরা আমাদের সামগ্রিক নেটওয়ার্কের সক্ষমতা এবং উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করব। এ ছাড়া এর মাধ্যমে আমাদের এমআরএনএ ভ্যাকসিন ও থেরাপি সারা বিশ্বের মানুষের কাছে সরবরাহ করব।’

যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ফাইজারের সঙ্গে যৌথভাবে বায়োএনটেক করোনাভাইরাসের যে ভ্যাকসিন বানিয়েছে, তা গত বছর পশ্চিমে প্রথম কোনো করোনা ভ্যাকসিন হিসেবে অনুমোদন পেয়েছিল। বর্তমানে এই ভ্যাকসিন বিশ্বের ৯০টি দেশে সরবরাহ করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, এ বছরের শেষ নাগাদ ফাইজার-বায়োএনটেক ভ্যাকসিনের ৩০০ কোটি ডোজ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। আর আগামী বছর এই উৎপাদন বাড়িয়ে ৩০০ কোটি ডোজের বেশি করা হবে।

সিঙ্গাপুরে বায়োএনটেকের কারখানাটি হবে ইউরোপের বাইরে তাদের প্রথম কোনো এমআরএনএ ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা। এই কারখানায় কয়েক কোটি ভ্যাকসিন ডোজ উৎপাদন করা যাবে। তবে সিঙ্গাপুরের কারখানায় ঠিক কতসংখ্যক ভ্যাকসিন বছরে উৎপাদন করা হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। এ ছাড়া এশিয়ায় কারখানা স্থাপনের ফলে এশিয়ার দেশগুলো কোনো সুবিধা পাবে কিনা করোনা ভ্যাকসিন পাওযার ক্ষেত্রে, সে বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়নি।

বায়োএনটেকের অংশীদার ফাইজারের কারখানা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও বেলজিয়ামে। বৈশ্বিকভাবে করোনা ভ্যাকসিনের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফাইজার ও বায়োএনটেক আরও কিছু ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির সঙ্গেও চুক্তি করেছে।