ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণে রাশিয়া থেকে ৩৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আমদানি|292462|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১১ মে, ২০২১ ১৮:০৪
ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণে রাশিয়া থেকে ৩৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আমদানি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণে রাশিয়া থেকে ৩৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আমদানি

গবাদিপশুর ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণে রাশিয়া থেকে ৩৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আমদানি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় সম্প্রতি এ ভ্যাকসিন আমদানি করা হয়।

মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের গবাদিপশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পাবনা, সিরাজগঞ্জ, মানিকগঞ্জ ও ভোলা জেলায় যথাক্রমে ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০, ১০ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০, ৬ লাখ ৭০ হাজার এবং ৭ লাখ ৯৫ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, গবাদিপশুর ক্ষুরা রোগ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিদের অর্থনৈতিক লাভের নিশ্চয়তা প্রদান ও বিশ্ববাজারে দেশের প্রাণিজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ জরুরি। এ রোগে দেশের ডেইরি খাত ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বিধায় পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের মাধ্যমে ১৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমদানি করছে সরকার।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ কোটি ৩৭ লাখ ১৪ হাজার ২৮৬ ডোজ ভ্যাকসিনের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। যার প্রথম ধাপে ৩৫ লাখ ডোজ সম্প্রতি রাশিয়া থেকে দেশে এসেছে। 
মন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে দেশের বিপুলসংখ্যক গরু, ছাগল, মহিষ এবং ভেড়া ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। যা দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। করোনা মহামারীর এ সময়ে খামারিদের ক্ষয়-ক্ষতি কমাতে এ ভ্যাকসিন কার্যকর ভূমিকা রাখবে। 
 
অর্থনৈতিক ও উৎপাদনশীলতার দিক থেকে গবাদিপশুর সবচেয়ে মারাত্বক সংক্রামক ব্যাধি ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ যা সংক্ষেপে এফএমডি নামে পরিচিত। সাধারণত গবাদিপশুর ক্ষুরে বেশি হয় বলে একে ক্ষুরা রোগ বলা হয়। এ রোগ দেশের ডেইরি শিল্পের অন্যতম প্রধান ক্ষতিকারক রোগ।