ভৈরবে বিআইডব্লিউটিএর ইজারা নিয়ে উত্তেজনা|306888|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৩০ জুলাই, ২০২১ ০০:০০
ভৈরবে বিআইডব্লিউটিএর ইজারা নিয়ে উত্তেজনা
মোস্তাফিজ আমিন, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

ভৈরবে বিআইডব্লিউটিএর ইজারা নিয়ে উত্তেজনা

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পুরাতন মেঘনা ফেরিঘাট এলাকায় বিআইডব্লিউটিএর ইজারা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ইজারাদারদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রত্যেকেই নিজেদের শক্তি প্রদর্শনে শোডাউন করছেন প্রতিদিন। ফলে যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, ভৈরব পুরাতন মেঘনা ফেরিঘাটে প্রতি বছর চারটি প্রতিষ্ঠান চারভাগে ইজারার ডাক দেয়। বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ফেরিঘাটের রেলওয়ে মুরিংঘাট, বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ বন্দর জেটিকে কেন্দ্র করে ৫০ গজ পর্যন্ত, জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মৎস্য আড়তঘাট এবং ভৈরব-আশুগঞ্জ খেয়াঘাটের ইজারা দেয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিস।

এবারের অর্থবছরে রেলওয়ে মুরিংঘাটের ইজারা পান উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আরমান উল্লাহ। বিআইডব্লিউটিএর জেটি এলাকার ইজারা পান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেফাত উল্লাহ, খেয়া পারাপারের ইজারা পান উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমানসহ আশুগঞ্জের অন্য একজন ইজারাদার, জেলা পরিষদের ডাক পান কয়লা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মজনু সওদাগর হাসান। কিন্তু বিপত্তি বাধে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের সীমানা বৃদ্ধি নিয়ে। নতুন ডাকে তাদের সীমানা ৫০ গজ থেকে বৃদ্ধি করে ৫০০ গজ করায় ইজারাদারদের মাঝে বিরোধ তৈরি হয়েছে। শেফাত উল্লাহ ইজারা পেয়ে তার এলাকা বুঝে নিতে গেলে রেলওয়ের মুরিংঘাট এলাকার ইজারাদার আরমান উল্লাহসহ অন্য ইজারাদের সঙ্গে বিরোধ হয়। সেই জটিলতা বর্তমানে উত্তেজনায় রূপ নিয়েছে। আরমান উল্লাহ জানান, বিআইডব্লিউটিএ বেআইনিভাবে ৫০ গজের স্থলে ৫০০ গজ জায়গা নিলাম দিয়েছে। মেঘনা ফেরিঘাটের পুরো এলাকার বৈধ ইজারাদার আমি।

শেফাত উল্লাহ জানান, ‘৫০ গজ হলে আমি বেশি টাকা ব্যয়ে এ ডাক দিতাম না। বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ যে জায়গা নির্ধারণ করে দিয়েছে, আমি সেখান থেকেই টোল আদায় করব।’

আশুগঞ্জ-ভৈরব বাজার নদীবন্দর কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক মো. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘নদী ও বন্দর এলাকার বৈধ কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএ। সবদিক বিবেচনা করে সীমানা বৃদ্ধি করেছে কর্তৃপক্ষ।’