মেইড ইন বাংলাদেশ ইমেজ গড়তে কাজ করব|312605|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৩০ আগস্ট, ২০২১ ২১:০০
মেইড ইন বাংলাদেশ ইমেজ গড়তে কাজ করব

মেইড ইন বাংলাদেশ ইমেজ গড়তে কাজ করব

ফারুক হাসান বাংলাদেশ পোশাক রপ্তানিকারক ও মালিক সমিতির (বিজিএমইএ) নবনির্বাচিত সভাপতি। ২০২১-২০২৩ সালের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে তিনি সভাপতি হন। জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশে গ্রিসের সম্মানিত কনসাল জেনারেল ফারুক হাসান এর আগে বিজিএমইএর পরপর দুবার নির্বাচিত পরিচালক, দুবার সহসভাপতি এবং সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ডাচ-বাংলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিবিসিসিআই) সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। করোনা মহামারীতে পোশাক শিল্পের সংকট, মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক, বিশ^বাজারে বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের অবস্থান এবং রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন এই শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দেশ রূপান্তর সম্পাদকীয় বিভাগের এহসান মাহমুদ

দেশ রূপান্তর : আপনি দীর্ঘদিন ধরে পোশাক খাতে কাজ করে আসছেন। বিজিএমইএ বোর্ডে দুইবার পরিচালক, দুইবার সহ-সভাপতি এবং একবার সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আপনার অভিজ্ঞতায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিজিএমইএকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

ফারুক হাসান : পোশাক কারখানা মালিকদের শীর্ষ সংগঠন হচ্ছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। বাংলাদেশে রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৩ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। তাই এটাকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। আমার আগেও অনেকেই এখানে সংগঠনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমিও আগে বিভিন্ন সময়ে কমিটিতে ছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২১-২৩ মেয়াদের সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ৩৫ পরিচালক পদের মধ্যে সম্মিলিত পরিষদের অর্থাৎ, আমার প্যানেল ২৪টি এবং ফোরাম ১১টি পদে জয়ী হয়েছে। নির্বাচনে আমি সর্বোচ্চ ১,২০৪ ভোট পেয়েছি। বিজিএমইএর এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ২,৩১৪ জন। এদের মধ্যে ঢাকায় ১,৮৫৩ জন এবং চট্টগ্রামে ৪৬১ জন। মোট ভোট দিয়েছেন ১,৯৯৬ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ১,৬০৪ জন এবং চট্টগ্রামে ৩৯২ জন। এই নির্বাচন প্রক্রিয়াটি আমাদের গঠনতন্ত্র মেনেই হয়েছে। একটি সুষ্ঠু প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিজিএমইএ তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়নে নানামুখী কাজ করেছে। নতুন কারখানা প্রতিষ্ঠার প্রেরণা থেকে শুরু শ্রমিক প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন, কারাখানা পরিচালনা করতে গিয়ে সৃষ্ট সমস্যা মোকাবিলা এবং আপৎকালীন সহযোগিতা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এর সদস্যদের পাশে থেকেছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি দেশের তৈরি পোশাক খাতকে আরও সুদৃঢ় অবস্থানে নিয়ে যেতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। এসব কারণে আমি মনে করি যে, বিজিএমইএ প্রতিষ্ঠান হিসেবে সফল।  

দেশ রূপান্তর : কভিড-১৯ মহামারীর সময় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে পোশাক খাত। বিশেষ করে লকডাউনের সময় কারখানা বন্ধ, কার্যাদেশ বাতিল হওয়ার খবর এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে পোশাক খাতের সংকট কাটাতে সরকারের পাশাপাশি আপনার ভূমিকা কী হবে?

ফারুক হাসান : একথা সত্য যে, কভিড-১৯ মহামারীর সময় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে পোশাক খাত। বিশেষ করে লকডাউনের সময় কারখানা বন্ধ, কার্যাদেশ বাতিল এমন অবস্থায় আমরা শ্রমিকের বেতন দিতে পারছিলাম না। তখন আমরা সরকারের সঙ্গে নেগোসিয়েশন করে নানা সুবিধা আনতে পেরেছি। বেশকিছু প্রণোদনা এসেছে। প্রণোদনার ঋণ পরিশোধে একটা সময় দেওয়া হয়েছিল, আমাদের দাবিতে সরকার আরও সময় বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা এ অভিজ্ঞতাকে আরও কাজে লাগাতে চাই, সরকারের সঙ্গে আরও সুসম্পর্ক বাড়াতে চাই, যার মাধ্যমে যৌক্তিক দাবির বিষয়ে কথা বলতে পারি। আমার মনে হয়, সরকারের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে বড় সমস্যা মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে অনেক ঝুঁকি থেকে যায়। কারাখানা মালিকদের সমস্যা ও দাবি সরকারের যথাযথ দৃষ্টি আকর্ষণ করা গেলে ও আলোচনা হলে তা অনেকটাই সমাধান করা সম্ভব। আমরা এখন সেদিকেই এগোচ্ছি। 

দেশ রূপান্তর : বিজিএমইএ মালিকদের সংগঠন। মালিকদের স্বার্থরক্ষাই আপনাদের কাজ। কিন্তু শ্রমিকরাই আপনাদের প্রাণ এটা অস্বীকারের উপায় নেই। মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক উন্নয়নে আপনাদের কোনো কর্মসূচি আছে কি না?

ফারুক হাসান : শ্রমিক ছাড়া কারখানার কথা চিন্তা করা যায় না। তাই মালিক এবং শ্রমিক সম্পর্ক সবসময়ই আমাদের অগ্রাধিকার বিবেচনায় থাকে। মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক ভালো থাকলে উৎপাদন নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। শ্রমিকের সঙ্গে মালিকের সম্পর্ক উন্নয়নে আমাদের বেশকিছু কর্মসূচি রয়েছে। এরমধ্যে কিছু রয়েছে, যেগুলো বিজিএমইএ নিজেই পরিচালনা করে। আবার কিছু রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল লেবার অরগানাইজেশন (আইএলও)-এর সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালনা করা হয়। কোনো শ্রমিক তার প্রতিষ্ঠানের মালিক পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে আমরা চেষ্টা করি সেটা দুই পক্ষকে নিয়ে মিটিয়ে দিতে। যদি আমরা আলোচনা করে মেটাতে সক্ষম না হই তখন আমরা শ্রমিককে পরামর্শ দিই লেবার কোর্টে মামলা করতে। এসব দেখাশোনার জন্য আলাদা একটি কমিটি রয়েছে। কমিটি এটা পেশাদারির জায়গা থেকেই করে থাকে।

দেশ রূপান্তর : দেশের কারখানার কর্মপরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টি বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এলেও তা উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। বিশেষ করে, কারখানার অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, দুর্ঘটনায় মৃত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের বিষয়টির তেমন অগ্রগতি হচ্ছে না। প্রায়ই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনা এড়াতে আপনার পরিকল্পনা জানতে চাই।

ফারুক হাসান : খুব কাছাকাছি সময়ে তৈরি পোশাক কারখানায় বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এর কারণ হলো, দেশের যে কোনো শিল্প-কারখানার চেয়ে তৈরি পোশাক কারখানার পরিবেশ এখন অনেকটাই নিরাপদ। কারখানাগুলো বিশ^মানের। বাংলাদেশে বিশ^মানের কারখানার সংখ্যা এখন প্রতিদিনই বাড়ছে। কারখানার অবকাঠামো, কর্মপরিবেশ, কারখানার ভেতরের নিরাপত্তাব্যবস্থাএসব বিবেচনা করে গুণগত মান সম্পন্ন কারখানাগুলোকে ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। আশার খবর হচ্ছে বাংলাদেশে গ্রিন ফ্যাক্টরির সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। বর্তমানে স্থানীয় আরএমজি সাস্টেইনেবল কাউন্সিল (আরএসসি) এসব বিষয় দেখাশোনা করছে। অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের নজরদারিতে পোশাক শিল্প অভূতপূর্ব উন্নতি অর্জন করেছে। চলমান কভিড-১৯ মহামারীর মধ্যে আরএসসি কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। সবার সহায়তায় পোশাক শিল্পে নিরাপত্তা নিয়ে আরও বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চাই। সম্প্রতি সেজান কারখানায় ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। এতদিন পোশাক খাত নিয়েই দেশের লোকজন ভেবেছে। এখন সময় এসেছে পোশাক খাতের বাইরে স্থানীয় অন্যান্য শিল্পকে নিরাপত্তার আওতায় আনার। নইলে তা সামগ্রিকভাবে শিল্প-কারখানার জন্য হুমকি হবে। একটি তথ্য সম্প্রতি সামনে এসেছে, ৯০ লাখ নিবন্ধিত কারখানা, দোকান ও প্রতিষ্ঠানের বাইরে আরও প্রায় সাড়ে চার লাখ প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের বাইরে রয়ে গেছে। এসব প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের আওতায় আনতে হবে। বিজিএমই তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শনের ব্যাপারে আগামী দিনগুলোতে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেবে। দেশের আইন অনুযায়ী কারখানার মালিকদের কাজের জায়গার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রয়েছে। পোশাক কারখানাগুলো যাতে নিয়মিত ইন্সúেকশনের আওতায় রাখা যায় তা নিশ্চিত করতে হবে আমাদের। তবেই দুর্ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। ২০১৩ সালে রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর পোশাক খাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের কার্যক্রমের কারণে এ খাতের শ্রম নিরাপত্তায় উন্নতি হয়েছিল। সেটা ধরে রাখাও অনেক ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মানসিক প্রস্তুতি আমাদের থাকতে হবে।

দেশ রূপান্তর : আপনি বাংলাদেশে গ্রিসের অনারারি কনসাল জেনারেল। এই অভিজ্ঞতাকে কীভাবে কাজে লাগাবেন পোশাক খাতের উন্নয়নে?

ফারুক হাসান : গ্রিসের কোনো দূতাবাস নেই বাংলাদেশে। তাই তারা আমাকে এখানে অনারারি কনসাল জেনারেল মনোনীত করেছে। এই অভিজ্ঞতা নিয়ে আমি ইউরোপ-আমেরিকার বাইরেও আমাদের পণ্যের পরিচিতি নিয়ে কাজ করব। ডিপ্লোম্যাসির অভিজ্ঞতা এ কাজকে আরও সহজ করবে। দূতাবাসগুলোতে পোশাক খাতের জন্য পৃথক সেল গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি। যেটা আমাদের বিভিন্ন দেশে সহজেই তুলে ধরবে। পোশাক খাত বলতে শুধু শার্ট, ট্রাউজার ও সোয়েটার নয়, এর বাইরেও অনেক পোশাক আছে। পোশাকের নতুনত্ব নিয়ে দেশে কাজ করতে হবে। এখন পলিস্টার জাতীয় পোশাকের ব্যবহার বেড়েছে বিশ^বাজারে। এসব নিয়ে কাজ করতে হবে। ইতিমধ্যে এসব নিয়ে কাজের অগ্রগতিও হচ্ছে।

দেশ রূপান্তর : আগামীর বিজিএমইএকে কীভাবে দেখতে চান?

ফারুক হাসান : এখন সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে কভিডকে মোকাবিলা করার জন্য ফ্যাক্টরিগুলোতে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ চালিয়ে নেওয়া। স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি সরকার দেখবে না, মালিকদেরই সেটা দেখতে হবে। আগামীতে আমার কাজ হবে বিজিএমইএকে ঐক্যবদ্ধ রাখা। গত দুই বছরে একটু বিভক্তি হয়েছে, নির্বাচনের সময় সেই বিভক্তি আরও বেড়েছে। সেটাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করব। সঙ্গে সঙ্গে পোশাক খাতের ব্যাকওয়ার্ড, ফরোয়ার্ড খাতকে এগিয়ে নিতে সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করব। কীভাবে বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করা যায়, পোশাক খাতকে ব্র্যান্ডিং করা যায়, নতুন মার্কেট খুঁজে বের করা যায় সেটা নিয়ে কাজ করব। বিশ^বাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের ইমেজ বৃদ্ধিতে কাজ করব। পণ্যের বৈচিত্র্য নিয়ে আসা ও ‘মেন মেইড ফাইবার’ পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি করা আমাদের জন্য এখন খুবই প্রয়োজন। বেসিক পাঁচটা আইটেমের বাইরে গিয়ে হাই ভ্যালু আইটেম পণ্য তৈরিতে মনোযোগ দিতে হবে। এর বাইরে একটি কাজে আমি জোর দিতে চাই, সেটি হলো এই পেশার দক্ষ জনবল তৈরি করা। এ জন্য প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার মতো ৪/৫ বছর মেয়াদি শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া আমাদের জন্য বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নয়। এ জন্য আমরা চাচ্ছি ডিপ্লোমা কোর্স চালু করা যায় কি না তা নিয়ে কর্মসূচি করতে। এতে করে অল্প সময়ে অনেক দক্ষ জনবল পাওয়া যাবে। এটা করা গেলে এই খাতের চেহারাটাই বদলে যাবে। শিক্ষিত ও দক্ষ জনবল পাওয়া গেলে তৈরি পোশাক খাতকে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে আরও কাজে লাগানো যাবে।

দেশ রূপান্তর : নতুন বাজার তৈরিতে আপনার কী ভূমিকা থাকবে?

ফারুক হাসান : এক সময় পোশাক খাতের মার্কেট শেয়ার ছিল ৬ দশমিক ৮ শতাংশ, সরকারের আর্থিক সহয়তায় সেটা বেড়ে ১৬ শতাংশে এসেছিল। সেটা সম্প্রতি আবারও কমেছে। মার্কেট শেয়ার বাড়াতে কাজ করতে হবে। আমাদের পোশাকের চাহিদা বিশ্বের কাছে আছে। নিজেদের ভালো মানের পণ্য বিশ্বে তুলে ধরছে আমাদের। এখন পোশাকে নতুনত্ব এসেছে। ইউরোপ-আমেরিকার বাইরের ক্রেতাদের কাছেও আমাদের পণ্যকে নিয়ে যেতে চাই। আমরা বিশ্বের দ্বিতীয় পোশাক রপ্তানিকারক ছিলাম। সম্প্রতি ভিয়েতনাম আমাদের থেকে এগিয়ে গেছে। তবে আমরা শিগগিরই আবার আগের অবস্থানে ফিরব। তবে একটা বিষয় হচ্ছে রপ্তানির পরিমাণের দিক থেকে এক নম্বর অবস্থানে থাকা চীন থেকে অনেক পিছিয়ে আছি আমরা। তবে আশার বিষয় হলো, সম্প্রতি চীনের রপ্তানির পরিমাণ কিছুটা কমেছে, যেখানে আমাদের সুযোগ তৈরি হয়েছে, এটাকে কাজে লাগাতে চাই। শুধু ইউরোপ-আমেরিকা নয়, এর বাইরেও অনেক দেশ আছে  যেখানে বাজার তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে।