ত্রিপুরায় সিপিএম অফিসে তাণ্ডব, কেবলই ‘ট্রেলার’ বললো বিজেপি|314454|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১০:০২
ত্রিপুরায় সিপিএম অফিসে তাণ্ডব, কেবলই ‘ট্রেলার’ বললো বিজেপি
অনলাইন ডেস্ক

ত্রিপুরায় সিপিএম অফিসে তাণ্ডব, কেবলই ‘ট্রেলার’ বললো বিজেপি

ত্রিপুরায় সিপিএমের কয়েকটি কার্যালয়ে ক্ষমতাসীন বিজেপির অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বুধবার কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয় রাজ্যের রাজধানী আগরতলা।

সোমবার ধনপুরে দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষের পর বুধবার প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। ওই মিছিল থেকেই সিপিএম কার্যালয়ে তাণ্ডব চালানো হয়।

সিপিএমের অভিযোগ, ভানু স্মৃতি ভবন, দশরথ ভবনসহ একাধিক দলীয় কার্যালয় এবং বেশকিছু গাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।

বিশালগড়ে সিপিএম পার্টি অফিসের গেট প্রথমে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়, তার পর ভেতরে ঢুকে আগুন দেওয়া হয়েছে।

শুধু তাই নয়, পাশেই সিপিএমের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য পার্থপ্রতিম মজুমদারের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

এছাড়াও আগরতলায় সংবাদমাধ্যমের অফিসেও হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার।

এদিকে বিজেপির অভিযোগ, বামেদের কার্যালয় থেকেই প্রথমে বোমা ছোড়া হয়। ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। একজন বিজেপি কর্মী জখমও হন। তারই প্রতিবাদে আছড়ে পড়ে জনরোষ।

বিজেপি নেতৃত্ব বলেছেন, আমরা হিংসায় বিশ্বাস করি না। তবে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙলে কী পরিণতি হয় তার ট্রেলার সকলেই দেখলেন।

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘স্বৈরাচারী সরকারের শাসন চলছে ত্রিপুরায়। আমাদের একের পর এক পার্টি অফিস জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেক গাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে। আজকের ঘটনা কোনো স্বতঃস্ফূর্ত বিষয় নয়। আজ সকাল থেকেই ঘোষণা করে পরিকল্পনা মাফিক এই আক্রমণ করা হয়েছে।’

ত্রিপুরা বিজেপি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে, ‘রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা নিজে উপস্থিত থেকে সন্ত্রাসে প্ররোচনা দিচ্ছেন। হিংসা ছড়াতে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে দলীয় কর্মীদের। আমরা আমাদের কর্মীদের বারবার শান্ত থাকার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু এখন সব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে।’

এদিকে ত্রিপুরায় একাধিক সংবাদমাধ্যমের ওপরে হামলার ঘটনায় সেখানকার বিজেপি শাসকের সঙ্গে জার্মান একনায়ক অ্যাডলফ হিটলারের আমলের তুলনা করেছে তৃণমূল।

ত্রিপুরা থেকে বিজেপি সরকারের উৎখাতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।