‘নগদ’ ডাক বিভাগের সেবা, বিভ্রান্তির সুযোগ নেই : মহাপরিচালক|314540|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২১:২০
‘নগদ’ ডাক বিভাগের সেবা, বিভ্রান্তির সুযোগ নেই : মহাপরিচালক
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘নগদ’ ডাক বিভাগের সেবা, বিভ্রান্তির সুযোগ নেই : মহাপরিচালক

দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ডাক বিভাগ ও ‘নগদ’ কে জড়িয়ে বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচার না করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন বলেছেন, ‘নগদ’ ডাক বিভাগের সঙ্গে রাজস্ব আয়ের অংশীদারত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত একটি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা। যা মাত্র আড়াই বছরে দেশের প্রায় সাড়ে ৫ কোটি মানুষকে আর্থিক লেনদেনের মধ্যে এনেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৭ সালে থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের সঙ্গে ডাক বিভাগের চু্ক্তি হয় এবং তার ভিত্তিতে ‘নগদ’সেবা দিয়ে যাচ্ছে। নগদ-এর মালিকানা ও ডাক বিভাগের অংশীদারত্ব নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার কোনো অবকাশ নেই।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসারে দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে ডাক বিভাগ ৫১ শতাংশ এবং ‘নগদ’ ৪৯ শতাংশের মালিকানা পাচ্ছে। বিষয়টি এখন দেশের আইন অনুসারে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

নগদ-এর অভাবনীয় সাফল্যের কারণে চক্রান্ত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান চক্রান্তের প্রমাণ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনকে বিশেষভাবে আমলে নেওয়া যেতে পারে।

ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন বার্তায় আরও বলেন, দেশীয় একটি সেবার সুন্দর অগ্রযাত্রার জন্য আমরা যেকোনো গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধ করতে সদা প্রস্তুত আছি।

তিনি আরও বলেন, ট্রাস্ট কাম সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট নিয়েও অনেক গণমাধ্যমে সংবাদ এসেছে। ‘নগদ’ সব সময়ই ডাক বিভাগের অনুমোদন নিয়েই নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।

বিভ্রান্ত না হয়ে গ্রাহকদের ডাক বিভাগের সেবা ‘নগদ’-এর পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে মহাপরিচালক বলেন, সাম্প্রতিক কয়েকটি ই-কামার্সের ভুলের কারণে কিছু অ্যাকাউন্ট সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। এই তথ্যগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃ্ঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে। পর্যালোচনার পরে অ্যাকাউন্টগুলো খুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘নগদ’- এ প্রতিদিন গড়ে ৭০০ কোটি টাকা লেনদেন করা হয়।